kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'ভবিষ্যতে পশু কোরবানির জন্য জবাইখানা নির্মাণ করা হবে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:৫১



'ভবিষ্যতে পশু কোরবানির জন্য জবাইখানা নির্মাণ করা হবে'

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, ভবিষ্যতে ঈদুল আজহার সময় পশু কোরবানির জন্য বৃহৎ পরিসরের জবাইখানা নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ইতিমধ্যে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে পশু কোরবানি করতে পারবেন। সেখানে পশু কোরবানির জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা রাখা হবে।
আজ সোমবার নগরভবনে ঈদুল আজহার সময় নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে পরিবেশকর্মী, মসজিদের ইমামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন এবং কোরবানির সময় পশু কোরবানি করতে সৃষ্ট সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।
ডিএসসিসিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া আটটি ইউনিয়নের পশু কোরবানির বিষয়ে কয়েকজন জানতে চাইলে মেয়র বলেন, আটটি ইউনিয়নে এখনো বর্জ্য অপসারণ ও সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে শুরু করা হয়নি। তবে এসব ইউনিয়নের বাসিন্দা সড়কের পাশে পশু কোরবানি দিলে সেসব বর্জ্য সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অপসারণ করা হবে।
মেয়র বলেন, এবার কোরবানির পশুহাটে প্লাস্টিকের ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। পশু কেনার পর সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত বুথ থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগ সংগ্রহ করা যাবে। যেখানে পশু হাসিল পরিশোধ করা হয়, সেখানেই ডিএসসিসির ব্যাগের বুথ স্থাপন করা হবে। ওইসব ব্যাগে পশুবর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেললে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সহজ হয়ে যাবে। এছাড়া সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার দেয়া হবে। বিভিন্ন সেবা সংস্থার গাড়িতে করে পানি সরবরাহ করা হবে। পশু কোরবানির পর পরিচ্ছন্ন কর্মীরা সেখানে পানি দিয়ে ধুয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেবেন। সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পশুবর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে।


মন্তব্য