kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

বাংলাদেশে দাতব্য সংস্থার সংস্কৃতি কতটা গড়ে উঠেছে?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১১:৫৮



বাংলাদেশে দাতব্য সংস্থার সংস্কৃতি কতটা গড়ে উঠেছে?

মেদসা সঁ ফ্রতিয়ে, অক্সফাম বা সেভ দ্য চিলড্রেনের মতো সংস্থার নাম কমবেশি সবাই জানেন। সব ক'টিই দাতব্য প্রতিষ্ঠান, গড়ে উঠেছে মানুষের স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থে বৃহত্তর কল্যাণে বা মানবহিতৈষী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের চ্যারিটি বা দাতব্য সংস্থাকে সমাজে এমন অনেক বড় অবদান রাখতে দেখা যায় যেটা অনেক সময় সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগেও করা হয়ে ওঠে না। কিন্তু বাংলাদেশে চ্যারিটির সংস্কৃতি বা চর্চা কতখানি গড়ে উঠেছে?

আহছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক ড. এহসানুর রহমান বলছেন, এখানে ব্যক্তি পর্যায়ে মানুষ দান করে, সেখানে ধর্মীয় অনুভূতি কাজ করে। তবে সেটার গতি কিছুটা কমেছিল, যখন বিদেশি সাহায্য নির্ভরতা তৈরি হয় দেশে। তবে, এখন আবার ব্যক্তি পর্যায়ে বড় কোনো চ্যারিটি বা দাতব্য কাজের পরিমাণ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে, যার মূল কারণ বিদেশি সাহায্যের পরিমাণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমেছে।

সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে রহমান বলছেন, আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল গঠনে ব্যক্তি পর্যায়ে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমেই অর্থায়ন সংগৃহীত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। আর সে ক্ষেত্রে সাধারণ ও মধ্য আয়ের মানুষরাই বেশি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। রহমান বলছেন, তবে, এ ক্ষেত্রে মানবকল্যাণ বা মানবহিতৈষী কর্মকাণ্ড অর্থাৎ মহৎ কোনো উদ্যোগ হলে মানুষ সহায়তা করতে উদ্যোগী হয়।

 


মন্তব্য