kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রেলের ঈদ টিকিট বিক্রির শেষ দিনে ভিড় নেই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:২৯



রেলের ঈদ টিকিট বিক্রির শেষ দিনে ভিড় নেই

কোরবানির ঈদের ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির শেষ দিন অনেকটাই পাল্টে গেছে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের চিত্র। আগাম টিকিটের জন্য গত চার দিনের মতো ভিড় দেখা যায়নি শুক্রবার।

কাঙ্ক্ষিত টিকিট পেতে কোনো সমস‌্যা না হওয়ায় ছিল না কোনো আক্ষেপ-অভিযোগও। শুক্রবার সকাল ৮টায় শুরু হয় টিকিট বিক্রি। এদিন দেওয়া হচ্ছে ১১ সেপ্টেম্বর ঈদযাত্রার আগাম টিকিট।

শুক্রবার চাঁদ দেখা গেলে বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হবে ১২ সেপ্টেম্বর। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই পাঁচদি ন ধরে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি করেছে রেলওয়ে।
শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে চট্টগ্রামের তূর্ণা নিশীথা, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস এবং নোয়াখালীর উপকূল এক্সপ্রেসের কাউন্টার একেবারে ফাঁকা হয়ে যায়।

এদিন ৭ নম্বর কাউন্টারে সুবর্ণ, সোনারবাংলা এক্সপ্রেস এবং মহানগর প্রভাতি ট্রেনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। সেখানে যাত্রীদের কিছুটা ভিড় থাকলেও তা গত কয়েক দিনের মতো নয়।

রেলওয়ে জানিয়েছে, ঈদযাত্রায় প্রতিদিন কমলাপুর থেকে ৬৯টা ট্রেন ছেড়ে যাবে।
কমলাপুর ছাড়াও বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, যশোর ঈশ্বরদী, রাজশাহী, দিনাজপুর ও লালমনিরহাটসহ বড় স্টেশনগুলো থেকেও অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে কমলাপুরের ২৩টি কাউন্টার থেকে শুরু হয় অগ্রিম টিকিট বিক্রি। সকাল ৯টার পর সিলেটগামী ট্রেনের কাউন্টারে কোনো টিকিট প্রত্যাশীকে দেখা যায়নি। প্রায় একই অবস্থা ছিল খুলনা, মোহনগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট কাউন্টারেও।

কিশোরগঞ্জের ট্রেনের টিকিট কাউন্টারও ছিল প্রায় ফাঁকা। সকাল সোয়া ১০টায় নারীদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টারের লাইনে ছিলেন মাত্র দুজন।

মোহনগঞ্জের টিকিট কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতা মো. আল আমিন বলেন, "আজ একেবারেই ভিড় নেই। প্রথম দুই ঘণ্টায় আমার কাউন্টারে ভিড় ছিল। এখন তো কেউ নাই। "

অবশ‌্য সকালে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গ এবং জামালপুরগামী ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। তবে তাও গত চার দিনের মতো নয়।


মন্তব্য