kalerkantho


'চেয়ারম্যান পদগুলো দখলে নিতেই বিএনপি নেতা ইদ্রিসকে হত্যা করা হয়েছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৯ মার্চ, ২০১৬ ২১:৪০



'চেয়ারম্যান পদগুলো দখলে নিতেই বিএনপি নেতা ইদ্রিসকে হত্যা করা হয়েছে'

দেশব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী সন্ত্রাসী তৎপরতা এখন তুঙ্গে। আজ সন্ধ্যায় যশোর জেলাধীন সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি ইদ্রিস আলীকে আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরা পৈশাচিকভাবে হত্যা করেছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কর্তৃক সারাদেশে এধরণের নৃশংস সিরিজ হামলা ও বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে হত্যা করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদগুলো ছিনিয়ে নিতে চায়। এজন্য তারা ধানের শীষের প্রার্থী ও প্রার্থীর সমর্থকদের সশস্ত্র হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করছে। এতে আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসাপরায়ণ ও দানবীয় চরিত্র জাতির সামনে আরো বেশী মাত্রায় স্পষ্ট হচ্ছে।
তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় যশোর জেলাধীন সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক ইদ্রিস আলীকে নৃশংস কায়দায় হত্যা করার ঘটনায় নিঃসন্দেহে আওয়ামী সন্ত্রাসবাদের নির্লজ্জ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এধরণের ঘৃন্য, বর্বর ও ন্যাক্কারজনক হামলা ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। ফখরুল বলেন, বর্তমান শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গিয়ে দেশের মানুষকে জিম্মি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ ধরণের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোন বিকল্প কিছু নেই।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবিলম্বে বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলীর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। তিনি সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত ইদ্রিস আলীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


মন্তব্য