kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।


পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি বিকেলে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৯ মার্চ, ২০১৬ ১২:২৬



পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি বিকেলে

অর্থায়ন নিশ্চিত না করেই পটুয়াখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন (দুটি ইউনিট) পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি হচ্ছে মঙ্গলবার। চীনের দ্য ফার্স্ট ফার্স্ট নর্থ-ইস্ট ইলেকট্রিক পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানির (এনইপিসি) সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মালিক বাংলাদেশ-চীন বিদ্যুৎ কম্পানির (বিসিপিসিএল) এ চুক্তি সই হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বুধবার এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক (জনসংযোগ) সাইফুল হাসান চৌধুরী জানান, রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি সই হবে। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

জানা গেছে, ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা। তবে অর্থায়নের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ইপিসি (প্রকৌশল, আহরণ ও নির্মাণ) ঠিকাদার হিসেবে এনইপিসিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিটের প্রথমটি ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে উৎপাদনে আসবে এবং অপরটি ২০১৯ সালের জুনে আসবে। প্রতি ইউনিট (ওয়াট) বিদ্যুতের সম্ভাব্য দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে সাড়ে ছয় টাকা।

বাংলাদেশের নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি (এনডব্লিউপিজিসি) এবং চীনের চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) সমান অংশীদারত্বে বাংলাদেশ-চীন বিদ্যুৎ কম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) গঠিত হয়েছে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে এনডাব্লিউপিজিসি এবং বিসিপিসিএল ১৫ শতাংশ করে মোট ৩০ ভাগ বিনিয়োগ করবে। বাকি ৭০ ভাগ ঋণ নেওয়া হবে।

 


মন্তব্য