kalerkantho

বুধবার । ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ । ৫ মাঘ ১৪২৩। ১৯ রবিউস সানি ১৪৩৮।


সংবাদ সম্মেলন

সরকারি খরচে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার দাবি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৩৫



সরকারি খরচে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার দাবি

সরকারি খরচে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার দাবিতে আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রবাসী অধিকার ফোরাম। ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সংগঠন প্যারিস-বাংলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে দাবিটি সামনে তুলে ধরা হয়। আজ তাদের সহযোগিতায় প্রবাসী অধিকার ফোরাম আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাবি সরকারের কাছে তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ, বিমানবন্দরে তাদেরকে সিআইপি মর্যাদা প্রদান, ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ বিদেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের যথাযথ আইনি সহযোগিতারও দাবি জানান। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন. এই সংগঠন প্রবাসীদের অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে আসছে। পর্যায়ক্রমে এর পরিধি বাড়ানো হবে। বক্তারা তাঁদের দাবি পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁরা বলেন, "আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের প্রতি যথেষ্ট সংবেদনশীল। আমরা আশা করি সরকারি খরচে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার দাবিটি যথাযথভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হলে এ সমস্যা আর থাকবে না। " এ জন্য বক্তারা পররাষ্ট্র, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের আহ্বায়ক টি এম রেজা। তিনি বলেন, "সরকারি হিসেবে প্রবাসীর সংখ্যা এক কোটিরও বেশি। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা অনেক বেশি। এই প্রবাসীরা কঠোর পরিশ্রম করে শুধু নিজের ভাগ্য বদলায়নি, জাতীয় অর্থনীতিসহ রিজার্ভ বৃদ্ধিতে অবদান এবং দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। " এই অবদানের কথা মাথায় রেখে সরকার তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি দেখাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

টি এম রেজা আরও বলেন, "যারা দেশের অর্থনীতিতে রক্ত সঞ্চালনের কাজটি করছেন হাড়ভাঙা পরিশ্রমে, সেই প্রবাসীরা বিদেশের মাটিতে মারা গেলে তাদের স্বজনদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এখানে উল্লেখ্য যারা চুক্তিতে কোনো দেশে যান তাদের মরদেহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিজ খরচে দেশে পাঠালেও এ সংখ্যা অত্যন্ত কম। কারণ নিজ উদ্যোগে বিদেশে যাওয়া বাংলাদেশির সংখ্যাই বেশি। তারা মারা গেলে তাদের মরদেহ নিয়ে কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। " তাই বিষয়টিকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে দাবিটি বিবেচনায় নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন ফ্রান্স ও কানাডাপ্রবাসী যথাক্রমে আশরাফুল ইসলাম, আহসান হাবিব সুমন, ইয়াহিয়া খান, সায়মন বাবু, মমতাজ আলম, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ সাবেক ছাত্রনেতা শরীফুজ্জামান শরীফ প্রমুখ।

 


মন্তব্য