kalerkantho


রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ মার্চ, ২০১৬ ২০:৩২



রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি দিয়েছেন দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও ইসলামী দল সমূহের নেতৃবৃন্দ।
রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে শীর্ষ উলামায়ে কেরাম এ হুমকি দেন।
বিবৃতিতে উলামায়ে কেরাম বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ছিল, আছে এবং থাকবে। তা বহাল রাখতেই হবে। ৯২ ভাগ মুসলিমের এ দেশে ইসলাম ও ইসলামী বিধান নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি  খেলতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে লাগাতার কঠোর কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে ঈমানী ও নৈতিক অধিকার আদায় করা হবে ইনশাআল্লাহ। ভ্রান্ত নাস্তিক-মুরতাদ ও ইসলাম বিরোধী বাতিল চক্র সরকার ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে দেশ থেকে ইসলাম নির্মূল করার চতুরমুখি চক্রান্ত অব্যাহত রেখেছে। এ ধারাবাহিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে তারা সময় সময় ইসলাম নিয়ে তামাশায় মেতে উঠে। তাদের এ আস্কারা ও দৌরাত্ম আর বাড়তে দেয়া যায় না।
তারা বলেন, আমরা রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে রিট খারিজ করে ইসলাম, মুসলিম উম্মাহ ও এদেশের জনগণের আক্বিদা-বিশ্বাসের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, ও সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়ার দুঃসাহস দেখাবেন না।   বিগত ২৮ বছর পর রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়ার দুঃসাহসিক রিট বাতিল করার পরিবর্তে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে অগ্রসর হয়ে বিভ্রান্ত মুরতাদদের পক্ষ অবলম্বন করলে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে।
তরা আরও বলেন, সরকারি দল, বিরোধী দল এবং ঈমানের দাবিদার সকলকে আমাদের এ ঈমান ও দ্বীন রক্ষার আন্দোলনে শামিল হতে আমরা উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রক্ষার পক্ষে যে কোনো ইসলামী দলের সকল কর্মসূচির প্রতি উলামায়ে কেরামের সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন থাকবে।
বিবৃতিদাতারা হলেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি শাইখ আবদুল মোমিন, শীর্ষ আলেমেদ্বীন রাবেতা আলম আল-ইসলামীর স্থায়ী সদস্য ও সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, মাওঃ মোহাম্মাদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের আমির মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, খেলাফত আন্দোলনের প্রধান আমিরে শরীয়ত হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হজুর, অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, শাহতলীর পীর মাওঃ আবুল বাসার প্রমুখ।


মন্তব্য