kalerkantho


ভয়াল ২৫ মার্চ স্মরণে আলোর যাত্রা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০১৬ ১২:৪২



ভয়াল ২৫ মার্চ স্মরণে আলোর যাত্রা

বাংলাদেশে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় পালিত হচ্ছে ৪৫তম স্বাধীনতা দিবস। দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। তবে মূলত ২৫ মার্চ রাতেই অপারেশন সার্চলাইট নামে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সামরিক অভিযান শুরু করেছিল পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। আর ২৫ মার্চের ওই গণহত্যার পরপরই শুরু হয়ে যায় সর্বাত্মক প্রতিরোধ অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ।

ভয়াল সেই ২৫ মার্চ স্মরণে গত রাতে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোর যাত্রা কর্মসূচি। আলোর পথযাত্রা গানটি দিয়ে মুখরিত হয়েছিল মানিক মিয়া এভিনিউ, সংসদ ভবন প্রাঙ্গণসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা। মোমবাতি হাতে ২৫ মার্চের ভয়াল সেই রাতকে স্মরণ করতে এসেছিল শত শত মানুষ। আয়োজকরা বলছেন অন্ধকার পেরিয়ে আলোর জয়োৎসবে এটা ছিল আলোর মিছিল, যেখানে অংশ নিয়েছে নানা বয়সী নানা শ্রেণির মানুষ।

কেন মানুষের এই অংশগ্রহণ?
সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আরাফাত জাহান রাতু বলছিলেন এই দিনটি অনুভবে মিশে আছে, এটা বলে বোঝানো যাবেনা। এ আলো বাংলাদেশের জন্য। অন্যদিকে মাস্টার্সের ছাত্র তোফায়েল আহমেদ বলছেন বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হলেও এখনও যে অন্ধকার আছে তা যেন আলো দিয়ে ভরে দেওয়া যায় সেই কামনা করতেই এখানে আসা। এই আলোর যাত্রা কর্মসূচিতে যারা অংশ নিচ্ছেন তাদের কাছে স্বাধীনতার তাৎপর্য কী?

ব্যবসায়ী শেখ খোরশেদ আলমের কাছে স্বাধীনতা হলো স্বাধীনভাবে বাংলা ভাষায় কথা বলা। তিনি মনে করেন স্বাধীনতা না পেলে স্বাধীনভাবে নিজের ভাষায় কথা বলার অধিকার হারাতেন সবাই। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল সেই রাতকে স্মরণে আলোর মিছিলের এই উদ্যোগ নিয়ে আয়োজকরা বলছেন বাঙালি যেন স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণাকে সামনে এগিয়ে যেতে পারে সে জন্যই এই কর্মসূচি। তারা বলছেন- সকল বাধার মুখে বহুদূরের যাত্রায় স্বাধীনতার এই আলোর প্রদীপ অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে।

 


মন্তব্য