kalerkantho


২০২৬ সালে পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মার্চ, ২০১৬ ২১:১৭



২০২৬ সালে পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হবে

২০২৬ সালে পায়রা বা সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হবে। ২০৪৩ সালে মোট কার্গো ও কন্টেনার হ্যান্ডলিং চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৫০ শতাংশ এবং বাকি ৫০ শতাংশ সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর দিয়ে করার মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। কমিটির সভাপতি মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, তালুকদার আব্দুল খালেক, মো. হাবিবর রহমান, এম আব্দুল লতিফ, রণজিৎ কুমার রায়, মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার) ও  মমতাজ বেগম এবং সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৬ সাল হতে পায়রা বা সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দরকে পুরোদমে অপারেশনে আনতে হবে যাতে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতার অতিরিক্ত কার্গো ও কন্টেনারের হ্যান্ডেলিং করতে পারে। ২০৪৩ সাল নাগাদ চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের মোট কার্গো ও কন্টেনারের ৫০ শতাংশ হ্যান্ডেলিং করবে। বাকী ৫০ শতাংশ পায়রা বা সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর হ্যান্ডেলিং করবে। সেভাবেই একটি মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। আরো জানানো হয়, ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৫০ কোটি টন কার্গো হ্যান্ডেল করেছে এবং প্রায় ১৭ লাখ টিউস কন্টেইনার হ্যান্ডেল করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্গোর প্রবৃদ্ধি প্রায় ১১ শতাংশ এবং কন্টেইনারের প্রবৃদ্ধি ১৩ শতাংশের বেশি।

চট্টগ্রাম বন্দরের নামে যত সম্পত্তি আছে তার সবটুকুই বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে বলে সুপারিশ করে কমিটি। বন্দরের পুরাতন আইনগুলো যুগোপযোগী করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে পরামর্শক নিয়োগ করে যত দ্রুত সম্ভব কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহের জন্য জি টু জি এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অর্ধেক অর্ধেক করে যন্ত্রপাতি কেনার সুপারিশ করা হয়।


মন্তব্য