kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বাংলা নববর্ষ এবং রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল জন্মজয়ন্তী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ মার্চ, ২০১৬ ২০:৩৮



বাংলা নববর্ষ এবং রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল জন্মজয়ন্তী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

বাংলা নববর্ষ এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫তম ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামে ১১৭তম জন্মবার্ষিকী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে আন্ত:মন্ত্রণালয়ীয় বৈঠকে।
জাতীয়ভাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানগুলো উদযাপনের লক্ষ্যে আজ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার হলে এ আন্ত:মন্ত্রণালয়ীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শেষাংশে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও প্রথমাংশে সংস্কৃতি সচিব আকতারী মমতাজ সভাপতিত্ব করেন।
অন্যান্যের মধ্যে বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রবীন্দ্র গবেষক আহমেদ রফিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, নজরুলসঙ্গীত শিল্পী খালিদ হোসেন, শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে রমনার বটমূলে বাংলা নববর্ষের মূল অনুষ্ঠানস্থল ও চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রাসহ রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও টিএসসি চত্বরসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্যান্যবারের চেয়ে আরো জোরালো করার এবং টিএসসি দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের গেটটি বড় করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
প্রতিবারের মতো এবারও বিভাগীয় শহর, জেলা শহর ও সকল উপজেলায় নববর্ষের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও গ্রাম্য মেলা আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জাতীয় এ উৎসবে শিল্পকলা একাডেমী ৩ দিনব্যাপী এবং বাংলা একাডেমি আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও বিসিকের সঙ্গে যৌথভাবে ১০ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে। এ উপলক্ষে সকল কারাগার, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নত দেশীয় খাবার ও দেশীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন এবং বিদেশী দূতাবাসে নববর্ষের বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত বৈঠকে গৃহিত হয়েছে।
একইভাবে অন্যান্য বছরের মতো এবারও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫তম ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মবার্ষিকী জাতীয়ভাবে উদযাপন করা হবে।
দুই কবিরই জাতীয় পর্যায়ের মূল অনুষ্ঠান রাজধানী বা ঢাকার বাইরে যেখানেই হোক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের সম্ভাবনা রয়েছে।
বৈঠকে বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর ও খুলনার দক্ষিনডিহিতে এবং জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশাল, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দুই কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কালজয়ী এ দুই কবির জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান দেশের অন্যান্য জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এবং বিদেশী দূতাবাসগুলোতেও আয়োজনের সিদ্ধান্ত বৈঠকে গৃহিত হয়।


মন্তব্য