kalerkantho

26th march banner

পাঠাভ্যাসে আগ্রহী করতে অভিভাবকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : সংস্কৃতিমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ মার্চ, ২০১৬ ২১:৩৪



পাঠাভ্যাসে আগ্রহী করতে অভিভাবকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : সংস্কৃতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, সন্তানদের পাঠাভ্যাসে আগ্রহী করতে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। সন্তানরা সর্বাগ্রে মা-বাবার কাছ থেকে শেখে এই কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা অভিভাবকদের কাছ থেকে কোন কিছু শুনতে শুনতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
আজ জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র মিলনায়তনে গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত ‘জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বেসরকারি গ্রন্থাগারের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এতে স্বাগত ভাষণ দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক সুহিতা সুলতানা। প্রবন্ধ পাঠ করেন গ্রন্থাগার বিশেষজ্ঞ কাজী আব্দুল মাজেদ।
প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি ও বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সচিব মো. মনজুর হোসেন।
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আগে সামাজিক উদ্যোগ বেশি ছিল। তবে আগের থেকে এখন পাঠক অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ বই কিনতে চায়, পড়তে চায়। অমর একুশে গ্রন্থমেলা, বিভাগীয় ও জেলা বইমেলাসহ বিভিন্ন বইমেলায় মানুষের আগ্রহ দেখলেই তা বোঝা যায়। তবে এটি যথেষ্ট নয়। পাঠাভ্যাস বৃদ্ধিতে নতুন নতুন উদ্যোগ নেয়া জরুরি।
আসাদুজ্জামান নূর বলেন, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর দু’টি আলাদা ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবেই থাকবে। এক্ষেত্রে অস্পষ্টতার কোনো কারণ নেই। শাহবাগে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে বহুতল ভবন নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং সেখানে গ্রন্থকেন্দ্রকে স্থানান্তর করা হবে। অর্থাৎ জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর একই ভবনে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন। অচিরেই নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।


মন্তব্য