kalerkantho


জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মার্চ, ২০১৬ ১০:২৮



জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর ৯৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এ সময় সেনাবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অফ অনার দেয়। এরপর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দলীয় প্রধান হিসাবে তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যান। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী রওনা হন টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে। সেখানে তিনি জাতির জনকের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

প্রধানমন্ত্রী চলে গেলে বঙ্গবন্ধু ভবন সবার জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভোরে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলটির সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক দল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিজ বাসভবনে সপরিবারে নিহত হন তিনি। বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা এবং গ্রন্থমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে। সরকারিভাবেও নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্মরণে শুক্রবার বিকালে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ।

জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুর অবদান স্মরণ করে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের জন্য আজ এদেশের মানুষের কাছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন সত্তায় পরিণত হয়েছে। সামগ্রিক বিচারে বঙ্গবন্ধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি এক অনন্য সাধারণ ইতিহাস। পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব, সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও ঐন্দ্রজালিক ভাষণ সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গ্রথিত করেছিল। যার ফলে আমরা পেয়েছি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিকাশ ঘটেছে বাঙালি জাতিসত্তার। জাতির পিতা শুধু বাঙালি জাতিরই নয়, তিনি ছিলেন বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও মুক্তির অগ্রনায়ক।


মন্তব্য