kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ । ৪ মাঘ ১৪২৩। ১৮ রবিউস সানি ১৪৩৮।


ডোনাল্ড ট্রাম্পের গায়ে 'মেড ইন বাংলাদেশ' শার্ট

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি    

১৭ মার্চ, ২০১৬ ১০:১১



ডোনাল্ড ট্রাম্পের গায়ে 'মেড ইন বাংলাদেশ' শার্ট

'মেড ইন বাংলাদেশ' শার্ট গায়ে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের শীর্ষ মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি ট্রাম্পকে আক্রমণ করে নির্মিত একটি বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনেছে তাঁর বিরোধী শিবির। তবে রিপাবলিকান দলেরই অভ্যন্তরীণ অনেক পক্ষ তাঁর বিরোধী। এর মধ্যে অন্যতম 'আওয়ার প্রিন্সিপলস পিএসি' নামে রিপাবলিকান দলের একটি শীর্ষ দাতা সংগঠন।

২০১২ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনির নির্বাচনী তহবিলে ব্যাপক অবদান ছিল সংগঠনটির। এবারের নির্বাচনে মিট রমনির মতো 'আওয়ার প্রিন্সিপলস পিএসি'ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। নিয়মিত বিরতিতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে প্রবীণ রিপাবলিকান কৌশলবিদ ক্যাটি পেকারের এ সংগঠন। এরই অংশ হিসেবে ওহাইয়ো অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান দলের আগামী প্রাইমারিকে সামনে রেখে ৩০ সেকেন্ডের একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। এই বিজ্ঞাপনেই এসেছে বাংলাদেশ ইস্যুটি।

বিজ্ঞাপনের শুরুতেই, একটি সমাবেশে দেওয়া ট্রাম্পের একটি উক্তি দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, 'মনে আছে, একসময় আমরা 'মেইড ইন দ্য ইউএসএ' শব্দটি দেখতে পেতাম? সর্বশেষ আপনি কবে এমনটি দেখেছেন?' এরপরই 'লেইট নাইট উইথ ডেভিড লেটারম্যান' অনুষ্ঠানের একটি ফুটেজ চলতে দেখা যায়। ওই অনুষ্ঠানের একটি পর্বে ট্রাম্প উপস্থিত হয়েছিলেন। উপস্থাপক একপর্যায়ে ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করেন, 'তার পরনের শার্ট ও টাই কোথায় বানানো হয়েছে? ট্রাম্প প্রথমে উত্তর দেন যে, তিনি জানেন না।

কিছুক্ষণ পরই উপস্থাপক ডেভিড লেটারম্যান আশপাশের কর্মীদের একই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন। তখন কর্মীরা বলেন, টাই বানানো হয়েছে চীনে। আর শার্ট বানানো হয়েছে বাংলাদেশে। প্রত্যুত্তরে ট্রাম্প বলেন, 'ভালো। আমরা মানুষের কর্মসংস্থান করি বাংলাদেশে। ' এরপর ওই বিজ্ঞাপনে দেখা যায় ইয়াহু নিউজের একটি প্রতিবেদন। সেখানে বলা হয়েছে, 'ট্রাম্পের বহু পণ্য মূলত তৈরি হয় এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকায়। বিজ্ঞাপনের একেবারে শেষে দেখা যায় এক ব্যক্তি সিএনএন'র সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।

ওই ব্যক্তি বলছিলেন, 'অনেক মানুষই এখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) কাজ খুঁজছে। অথচ, তিনি (ট্রাম্প) বহু চাকরি বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। '


মন্তব্য