kalerkantho


কাল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে নৌ পরিবহন শুরু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মার্চ, ২০১৬ ২০:৪৬



কাল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে নৌ পরিবহন শুরু

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে নৌ পরিবহন শুরু হতে যাচ্ছে কাল। গত বছরের জুনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় সম্পাদিত উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তির আওতায় কাল চট্টগ্রাম থেকে ভারতের কৃষ্ণপত্তম যাচ্ছে বাংলাদেশেরই একটি জাহাজ।

ভারতের সাথে নৌ চলাচল শুরুর কারণে যেসব খাত বেশি উপকৃত হবে বলে বলা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত।

টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি ফজলুল হক বলছেন কটন আমদানির ক্ষেত্রে তাদের অর্থ ও সময়ের অনেক সাশ্রয় হবে কারণ আগের মতো সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বা শ্রীলংকা হয়ে পণ্য আমদানি করতে হবেনা তাদের। কিন্তু যতটা লাভবান হওয়ার জন্যে নৌ পথে পরিবহন শুরু হলো তার সুফল নিতে পর্যাপ্ত জাহাজসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি কি বাংলাদেশের রয়েছ?

জবাবে জাহাজ চলাচল চুক্তি সম্পাদন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকা বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি শেখ মাহফুজ হামিদ বলেন জুনের মধ্যে দশটি জাহাজ রেডি হবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে আসবে আরও অন্তত দশটি জাহাজ।

হামিদ বলেন বাংলাদেশের জাহাজগুলো তুলনামূলকভাবে যেমন বেশি লাভবান হবে তেমনি এদেশের তৈরি পোশাকের মতো পণ্যের রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। দুই তৃতীয়াংশ খরচ ও সময় বেঁচে যাবে।

নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন এসব বিষয় বিবেচনা করেই উপকূলীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর সাথেও এ ধরনের নৌ যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছ। আর এটি শুধু পণ্য পরিবহনে সীমাবদ্ধ না থেকে যাত্রী পরিবহনের কার্যক্রমও শুরু হবে। ওদিকে চুক্তি অনুযায়ী দুদেশের সাতটি করে নৌ ও সমুদ্রবন্দরে জাহাজ চলাচল করবে।

যদিও এর আগে এমভি রোদেলা নামে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম থেকে কোলকাতা বন্দরে কনটেইনার পণ্য আনা নেওয়া শুরু করলেও পরে খরচ পোষাতে না পেরে তারা এ পথ থেকে জাহাজটি প্রত্যাহার করে নেয়। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন পর্যাপ্ত সংখ্যক জাহাজ চলাচল শুরু হয়ে গেলে এটি জাহাজ ও পণ্য ব্যবসায়ী সবার জন্যেই লাভবান হবে। বিবিসি


মন্তব্য