kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ । ৪ মাঘ ১৪২৩। ১৮ রবিউস সানি ১৪৩৮।


অর্থ লোপাট : প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের পদত্যাগ দাবি বিএনপির

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ১৯:২৯



অর্থ লোপাট : প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের পদত্যাগ দাবি বিএনপির

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮০০ কোটি টাকা চুরির ঘটনায় সরকার প্রধান ও অর্থমন্ত্রী দায় এড়াতে পারেন না বলে মনে করে বিএনপি।
নয়াপল্টন কার্যালয়ে বিএনপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ এ মন্তব্য করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, গভর্নরের পদত্যাগে প্রমাণ করে এর পিছনে রাঘব বোয়ালরা জড়িত।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আলোচিত এই টাকা চুরির ঘটনাটি ঘটে ২৯ জানুয়ারি ২০১৬। বিষয়টি মিডিয়াতে আসে প্রায় মাসাধিককাল পরে অর্থাৎ গত ৭ মার্চ। ৮ মার্চ এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারে ফেডারেল ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। আর এ ঘটনায় তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দোষক্রটি দেখছেন না বলে ওইসময় অভিমত ব্যক্ত করেন। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠলে অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের নীতিনির্ধারক মহল নড়েচড়ে বসে। এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে সরকার একরকম জেনে যায়, নজিরবিহীন এ চুরির সঙ্গে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা জড়িত। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়-এর পেছনে  আরও প্রভাবশালী মহল জড়িত। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভের যে ৮০০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে তাও প্রকৃত সংখ্যা নয় বলে জানা গেছে।
তিনি মিডিয়ার বরাত দিয়ে বলেন, চুরি যাওয়া টাকার পরিমাণ ৮০০ কোটি টাকা নয়, ৮০০ কোটি ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা।
রিজভী বলেন, এই অবৈধ ভোটারবিহীন সরকার পুরো আর্থিক খাতকে তছনছ করে দিয়েছে। দেশের সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাটের ফলে দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগের মাধ্যমে প্রমাণ হয় যে, এই অর্থ চুরির সাথে শুধু তিনিই দায়ী নন, এর সাথে সরকারের উচ্চমহলও জড়িত। আর্থিক খাতে ভয়াবহ লুটপাটের দায় এড়ানোর জন্য শুধু গভর্নরের পদত্যাগই যথেষ্ট নয়। চুরির দায় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ গোটা সরকারের। তারা এর দায় এড়াতে পারেন না। এজন্য অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের পদত্যাগ করেন বিএনপির এই নেতা।


মন্তব্য