kalerkantho

বুধবার । ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ । ৫ মাঘ ১৪২৩। ১৯ রবিউস সানি ১৪৩৮।


ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় রফিক আজাদকে শেষ বিদায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ১৩:০২



ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় রফিক আজাদকে শেষ বিদায়

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা রফিক আজাদকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুলিশের একটি চৌকস দল এই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহের প্রতি এ সম্মান প্রদর্শন করে। একই সঙ্গে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রফিক আজাদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে শেষ বিদায় জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। এসব ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন কবি, লেখক, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, নাট্যব্যক্তিত্ব, সংস্কৃতিকর্মী প্রমুখ। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।
 
কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, রফিক আজাদ ছিলেন, আছেন, থাকবেন। লেখক সৈয়দ শামসুল হক বলেন, রফিক আজাদের এই যাওয়া চলে যাওয়া নয়। অমরত্বের জগতে তাকে স্বাগতম। তিনি তার সৃষ্টিতে বেঁচে থাকবেন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রফিক আজাদকে তার কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে নিয়ে যাওয়া হবে। একাডেমির নজরুল মঞ্চে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে কবির জানাজা হবে। এরপর তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শনিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মারা যান। এর আগে তিনি গত ফেব্রুয়ারি থেকে ওই হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। ১৯৪১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন কবি রফিক আজাদ। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময়ই ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাবা-মার কঠিন শাসন উপেক্ষা করে ভাষা শহীদদের স্মরণে খালি পায়ে মিছিল করেন তিনি। চিরদিনই প্রতিবাদী এই কবি তার দ্রোহকে শুধু কবিতার লেখনীতে আবদ্ধ না রেখে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন জাতির চরম ক্রান্তিকালে, ১৯৭১ এ হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে।

 


মন্তব্য