যুদ্ধাপরাধের বিচারে জাতিসংঘের-334451 | জাতীয় | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


যুদ্ধাপরাধের বিচারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি রয়েছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৬ ২১:১৭



যুদ্ধাপরাধের বিচারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি রয়েছে

বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাপারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি রয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও অপরাধ সংঘটনে যাদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে তাদের বিচার করাকে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন ১৯৭৩ সালের মার্চে জেনেভায় অনুষ্ঠিত ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর যত শিগগির সম্ভব যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে সরকারি উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যারা গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, হত্যা, ধর্ষণ এবং অগ্নিসংযোগ করেছে এমন ঘটনায় জড়িত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিচার করার অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নীতিগতভাবে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।
প্রথমত মানবতার ব্রিুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ এবং অপরাধ যখন এবং যেখানে ঘটুক না কেনো, তার তদন্ত হবে এবং তদন্তে অভিযুক্তের বিচার ও সাজা দেয়া যাবে।
দ্বিতীয়ত মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ এবং অপরাধের ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিচার করতে হবে। বিচারে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে শাস্তি পেতে হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৭৩ সালের জানুয়ারি মাসে আরো একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। প্রস্তাবে বলা হয়, মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ এবং অপরাধের ঘটনায় অভিযুক্তকে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে শাস্তি প্রদান করতে হবে।
মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং জনগণ ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এটি করতে হবে।
প্রস্তাবে জাতিসংঘ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ এবং অপরাধের জন্য পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর ১৯৫ জন সেনা কর্মকর্তার বিচারে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর ভারতে যুদ্ধবন্দী শিবির থেকে তাদের ১৯৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার আগে পাকিস্তান তাদের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। অথচ পরে তারা তাদের সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।
বর্তমান সরকার এ বছরের ২৬ মার্চ ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানের সেই ১৯৫ জন সেনা কর্মকর্তঅর প্রতিকী বিচার করার উদ্যোগ নিয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এর আগে বলেছেন, নাগরিক কমিটি ২৬ মার্চ পাকিস্তানের ১৯৫ জন সেনা কর্মকর্তার প্রতিকী বিচার করবে। - বাসস।

মন্তব্য