kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নৌমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নারী মুক্তি কেন্দ্রের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৬ ১৪:২৮



নৌমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নারী মুক্তি কেন্দ্রের

বর্ষবরণে ঘটে যাওয়া নারী নিগ্রহকে তেমন কিছু নয় এবং এ ধরনের টুকিটাকি ঘটনা ঘটতেই পারে নৌমন্ত্রী শাহজাহান খানের এমন বক্তব্যে তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্র। এই বক্তব্যের জন্য মন্ত্রীকে নারী সমাজের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে, না হয় পদত্যাগের দাবি জানানো হয়।

আজ বুধবার নারীমুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সীমা দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক মর্জিনা খাতুন এক বিবৃতিতে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, পরিকল্পিতভাবে বর্ষবরণে নারী লাঞ্ছনাকারীদের রক্ষার অপচেষ্টা চলছে। পুলিশের প্রতিবেদন এবং সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদে আসীন মন্ত্রী আমলাদের এই সংক্রান্ত উক্তিতে তা বার বার প্রমাণ হয়েছে। সর্বশেষ ৮ মার্চের মতো সংগ্রামী দিনে ঢাকায় নৌ মন্ত্রীর এই উক্তি আবারও প্রমাণ করলো তারা অপরাধীদের পক্ষে।

নেতৃদ্বয় বলেন, সরকারের উচ্চ পদে আসীন ব্যক্তিরা যদি এহেন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেন তাতে সন্ত্রাসীরাই আস্কারা পেয়ে যায়। ভবিষ্যতে এ দেশ এবং সমাজ যে, নারী ও শিশুদের জন্য ভয়াবহ অনিরাপদ স্থানে পরিণত হতে যাচ্ছে তা চোখের সামনে স্পষ্ট। ফলে নারী সমাজকেই এ আন্দোলনে এগিয়ে এসে দূর্বার গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তারা বলেন, আগামী বর্ষবরণের আগেই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অবিলম্বে এ জঘন্য উক্তি করার জন্য নৌ পরিবহন মন্ত্রীকে সমগ্র নারী সমাজের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে অন্যথায় তাকে পদত্যাগ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী বিতর্কিত এ মন্তব্য করেন। নৌমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা বছরের প্রথম দিন। এ দিনটিতে অনেক মানুষ রাস্তায় থাকেন। বিশাল জনগোষ্ঠীর এ দেশে ঢাকাতেই প্রায় দুই কোটি মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে এমন কি ঘটনা ঘটেছে- যা একটা সংবাদ হওয়ার মতো ঘটনা। একটা টুকিটাকি ঘটনা হতেই পারে। এতগুলো মানুষের মধ্যে এটা তেমন কোনো বিষয়ই না। অনুষ্ঠানে দেশের ১০জন সংগ্রামী নারীকে সংবর্ধনা দেয় নতুন ধারা নামের একটি সংগঠন।
 


মন্তব্য