kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

'ফেডারেল রিজার্ভের ব্যবস্থায় হ্যাকিংয়ের কোনও প্রমাণ নেই'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২৪



'ফেডারেল রিজার্ভের ব্যবস্থায় হ্যাকিংয়ের কোনও প্রমাণ নেই'

হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাদের বৈদেশিক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়া নিয়ে বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা রয়টর্স এবং ব্লুমবার্গকে খবর দিয়েছে, ফেডারেল রিজার্ভের ব্যবস্থায় হ্যাকিংয়ের কোনো প্রমাণ নেই।

তবে রয়টর্স লিখছে, বাংলাদেশে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছে কিনা- গোপনীয়তার যুক্তিতে সে ব্যাপারে মুখ খুলতে অস্বীকার করেছে ফেডারেল রিজার্ভ।

বিশ্বের প্রায় ২৫০টির মতো দেশের সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভে টাকা জমা রাখে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের এক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থের একাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে ফেডারেল রিজার্ভের এই অস্বীকৃতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ব্যাংকের একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে বিষয়টি তারা পর্যালোচনা করছেন।

এই অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে বাংলাদেশের এই কেন্দ্রীয় ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানিয়েছেন, বেহাত হওয়া অর্থের মোট পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, চুরি যাওয়া অর্থ ফিলিপাইনে রয়েছে। ওই অর্থের একটি অংশ আদায় করা সম্ভব হয়েছে, এ কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাকি অর্থের গন্তব্য শনাক্ত করে তা আদায়ের বিষয়ে বাংলাদেশের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে।

কত পরিমাণ অর্থ ফেরত আনা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে তা উল্লেখ করা না হলেও কর্মকর্তারা বলছেন, বেহাত হওয়া অর্থের এক চতুর্থাংশের মতো আদায় হয়েছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ২৮০০ কোটি ডলারের মতো।


মন্তব্য