kalerkantho


ফাঁসির রায় বহাল থাকায় খাদ্যমন্ত্রীর স্বস্তি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ মার্চ, ২০১৬ ১৪:১১



ফাঁসির রায় বহাল থাকায় খাদ্যমন্ত্রীর স্বস্তি

মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বহাল থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল বলেন, এই রায়ে আমি অত্যন্ত স্বস্তি প্রকাশ করছি। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে, মামলার বাদী হিসেবে আমি আনন্দ প্রকাশ করছি। মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল হওয়ার মাধ্যমে আমরা সফলতা অর্জন করতে পারলাম।

এদিকে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানিকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে মন্তব্য করায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে তলব করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এমন নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। এ ছাড়া আদালত অবমাননার রুলের বিষয়ে আরেকজন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এই দুজনের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রচারিত কিছু সংবাদে বিচার বিভাগ নিয়ে অশোভন ও অবমাননাকর মন্তব্য দেখে আদালত স্তম্ভিত। এসব মন্তব্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল বলে আদালত মনে করেন।

আদালত বলেন, গত ৫ মার্চ একটি গোলটেবিল বৈঠকে দুই মন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে চরম অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা বিচার প্রশাসনে হস্তক্ষেপের শামিল। তাঁদের ওই বক্তব্য বিচার বিভাগের সম্মান ও কর্তৃত্বকে ক্ষুণ্ণ করেছে। এ জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চান আদালত। দুই মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মোজাম্মেল হককে আগামী ১৫ মার্চ সকাল ৯টায় আপিল বিভাগে সশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

 


মন্তব্য