এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারীর-333285 | জাতীয় | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


নারী অধিকার বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তারা

এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারীর সমতা নিশ্চিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৬ ২০:০৩



এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারীর সমতা নিশ্চিত করতে হবে

নারী অধিকার বিষয়ক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকল ক্ষেত্রে নারীর সমতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য তাদেরকে স্বাবলম্বী করে দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

আজ সোমবার রাজধানীর রায়ের বাজারে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের সহকারি অ্যাডভোকেসি অফিসার তানজিলা চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন হেল্থব্রীজের আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন, সাংবাদিক নিখিল ভদ্র ও জয়শ্রী জামান, মানবাধিকার কর্মী সাকিলা রুমা, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারি, ডেপুটি কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নাজনীন কবির ও প্রকল্প কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

সভায় উত্থাপিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীরা গৃহে প্রতিদিন ৪৫ রকমের কাজ করেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে ১৬ ঘণ্টা সময়ই গৃহস্থালি নির্ভর বিভিন্ন রকম কাজে ব্যয় করেন। ২০১২ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী নারীদের গৃহস্থালি কাজে যে অবদান রাখছে তার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ২১ লক্ষ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের জিডিপির দ্বিগুণেরও বেশি। তাই নারী অধিকার নিশ্চিত করতে এই বিষয়টি মূল্যায়ন করা জরুরী।

সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নারীর গৃহস্থালি কাজের মূল্যায়ন করা জরুরি। জিডিপিতে নারীর অবদান অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান করা হলে নারীর প্রতি পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্রের যে চিরন্তন ধারণা ‘নারী কিছুই করে না’ তার পরিবর্তন সম্ভবপর হবে। নারীর প্রতি নেতিবাচক এ ধারণার পরিবর্তন হলেই পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্রে নারীকে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য করা হবে। এতে নারীর প্রতি সহিংসতা কমে আসবে। আগামী দিনের আইন ও নীতিসমূহ নারীবান্ধব করা সম্ভব হবে।

বক্তারা আরো বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে সকলকে সম্বনিতভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। নারী দিবসে পুরুষদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। অর্থনীতিতে সমাজের সবার যেমন অবদান রয়েছে, তেমনি সবার নিয়ন্ত্রণও প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। এছাড়া জাতীয় অর্থনীতিতে যেসব অদৃশ্য অবদান রয়েছে, যেসব অবদানের কোন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। সেইসব অবদানও জাতীয় অর্থনীতি তথা ডিজিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে নারীর প্রতি প্রচলিত দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তনের আহ্বান জানান তারা।

 

মন্তব্য