kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'কারেন্ট জাল থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মাছ পাবে না'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৪০



'কারেন্ট জাল থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মাছ পাবে না'

জাটকা সংরক্ষণ এবং এর নিধন রোধে হাইকোর্টের রায় পদে পদে সমস্যা সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক। আজ বুধবার মৎস্য ভবনে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, হাইকোর্ট কারেন্ট জাল তৈরি, উৎপাদন, বিপণন ও সরবারাহ বন্ধে রায় দিয়েছে। কিন্তু কারেন্ট জাল জব্দ বা ধ্বংস করার পক্ষে কোনো রায় নেই। অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ কিংবা ধ্বংস করতে গেলে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। জেলেরা বলে জাল তৈরি না করতে কোর্ট রায় দিয়েছে, জব্দ করার রায় দেয়নি।

মন্ত্রী বলেন, শুধু উৎপাদন নয়, কারেন্ট জাল সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে না পারলে লাখ লাখ টাকা খরচ করে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাটকা নিধন বন্ধ করা যাবে না। দেশব্যাপি অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল পোড়াতে হবে। কারেন্ট জাল থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মাছ দেখতে পাবে না। জাটকা সংরক্ষণের স্বার্থে যত আইনই করা হোক না কেন স্বার্থন্বেষী মহলের পেছনে গডফাদারদের অদৃশ্য হাত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ছায়েদুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাটকাসহ অন্যান্য মাছ নিধনকারী অবৈধ জাল ধ্বংস করতে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট পনেরো দিন ভোলা, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। ১৬৮টি মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে ৮৮৩টি বেহুন্দি জাল এবং ৭৭৭টি অন্যান্য জাল যেমন- চড়গড়া, মশারী ও চাইজাল আটক করেছে। এছাড়া জাটকা রক্ষার কর্মসূচি হিসেবে অভিযান চালিয়ে ১৯ টন জাটকা এবং প্রায় ৭০ লক্ষ মিটার জাল জব্দ করেছে। এসময় ১ লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা এবং তিনজনকে জেল প্রদান করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ আরিফ আজাদের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ, সচিব মাকসুদুল হাসান খানসহ মন্ত্রনালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 


মন্তব্য