kalerkantho

25th march banner

'বাঘ-হরিণ সংরক্ষণে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে টহল জোরদার করা হয়েছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২৫



'বাঘ-হরিণ সংরক্ষণে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে টহল জোরদার করা হয়েছে'

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, বাঘ এবং হরিণ হত্যা ও পাচার রোধে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে টহল জোরদার করা হয়েছে। এজন্য গ্রামবাসীকে সম্পৃক্ত করে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির কাজ চলছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ইউএসএআইডি’র ‘ন্যাশনাল ডায়লগ ফর দ্যা প্রোটেকশন অব দ্যা টাইগার্স ইন সুন্দরবন’ শীর্ষক আলোচনায় এ কথা বলেন।
এটি বাঘ সংরক্ষণে ইউএসএআইডি এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের চার বছর ব্যাপী প্রকল্পের একটি অংশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু অনুষ্ঠানে বলেন, সরকারি বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে বাঘ সংরক্ষণ করা সম্ভব। বাঘ সংরক্ষণের জন্য সরকারের যথাযথ উদ্যোগ বিদ্যমান রয়েছে।
বাঘ সংরক্ষণে ইউএসএআইডি সরকারকে সহায়তা করছে জানিয়ে পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, বাঘ আমাদের জাতীয় প্রতীক। সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। আর বাঘ সংরক্ষণ করা না গেলে সুন্দরবনের অস্তিত্ব হুমকীর মুখে পড়বে। তাই সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছেন। বাঘসহ সুন্দরবনের হরিণ এবং অন্যান্য বন্য প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ ইউনূচ আলী বলেন, বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। বিশ্বে এখন বাঘের সংখ্যা মাত্র ৩ হাজার ২০০। আর বাংলাদেশে রয়েছে ১০৬ টি। এ সংখ্যা কিছু কম বেশি হতে পারে। আমরা যথাযথ চেষ্টা করে যাচ্ছি এই বাঘ রক্ষার মাধ্যমে সুন্দরবনের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউএসএআইডি’র বাঘ বিষয়ক কার্যক্রমের প্রধান গ্যারি এফ কলিন্স, ইকোনোমিক গ্রোথ ডিভিশনের পরিচালক ফরহাদ গুসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আনোয়ারুল ইসলাম ও ইউএসএআইডি’র বাঘ বিষয়ক কার্যক্রমের ডেপুটি চীফ ক্যাথি ওয়াকালা।


মন্তব্য