kalerkantho


শিল্পকলা পদক ২০১৪ ঘোষণা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ নভেম্বর, -০০০১ ০০:০০



শিল্পকলা পদক ২০১৪ ঘোষণা

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আজ ‘শিল্পকলা পদক ২০১৪’ অর্জনকারীদের নাম ঘোষণা করেছে।
‘শিল্পকলা পদক ২০১৪’ ভূষিত গুণীজনরা হলেন- ওস্তাদ বজলুর রহমান বাদল (নৃত্যকলা), পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী (কণ্ঠ সঙ্গীত), পণ্ডিত মদন গোপাল দাস (যন্ত্র সঙ্গীত), সৈয়দ আব্দুল্লাহ্ খালিদ (চারুকলা), আশরাফুল আলম (আবৃত্তি), লাকী ইনাম (নাট্যকলা) ও ড. শহিদুল আলম (ফটোগ্রাফি)।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে পদক প্রাপ্ত গুণীজনদের প্রত্যেককে নগদ এক লক্ষ টাকার চেক, সনদ ও শিল্পকলা ক্রেস্ট প্রদান করা হবে।
আজ দুপুরে জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার হলে এক সংবাদ সম্মেলনে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এ নাম ঘোষণা করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক এ আর মোল্লা, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সহকারী পরিচালক মোস্তফা আল মাসউদ এবং মহাপরিচালকের দপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল রাকীবিল বারি।
আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এ পদক প্রদান করবেন। এতে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস। স্বাগত বক্তৃতা দেবেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
বাঙালি জাতির প্রতিটি সংগ্রাম, আন্দোলন ও অর্জনে এদেশের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা তাঁদের নাটক, সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি ও চিত্রকর্মসহ শিল্পের বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে অপরিসীম অবদান রেখেছেন। হাজার বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের লালন, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা তৈরিতে এখনও কাজ করে চলেছেন এ শিল্পীসমাজ ও সংস্কৃতিকর্মীরা। তারই স্বীকৃতিসরূপ সংস্কৃতি ক্ষেত্রের ৭জন করে গুণী শিল্পীকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ২০১৩ সাল থেকে ‘শিল্পকলা পদক’ প্রদান করছে।
২০১৩ সালে এ পদক অর্জন করেছেন- নৃত্যকলায় আমানুল হক, যন্ত্রসংগীতে ওস্তাদ মতিউল হক খান, লোকসংস্কৃতিতে সাইদুর রহমান বয়াতী, চারুকলায় সমরজিৎ রায় চৌধুরী, কণ্ঠসংগীতে ফাহমিদা খাতুন, চলচ্চিত্রে মানজারে হাসীন (মুরাদ) এবং নাট্যকলায় খালেদ খান।
পদক প্রদান ছাড়াও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস উপলক্ষে ১৯ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।



মন্তব্য