kalerkantho


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পাকিস্তানের দালাল’ উপাচার্য

জাকির হোসেন তমাল   

১৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ২০:১৯



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পাকিস্তানের দালাল’ উপাচার্য

সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন ১৯৬৯ সালের ৫ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালের ১৮ জুলাই পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে থাকেন। এরপর ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উপাচার্য সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন মুক্তিযুদ্ধের সময় দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা প্রণয়ন করেছিলেন। রাজাকার, আলবদর বাহিনীর অঘোষিত উপদেষ্টার ভূমিকায় ছিলেন তিনি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হত্যা, খুন, ধর্ষণের ঘটনাগুলো তিনি গোপন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে।

অন্যদের গোপন রাখার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বা প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছিলেন। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তার কাছে অভিযোগ গেলে তিনি কোনো প্রতিকার করেননি। পাকিস্তানি সেনাদের পশুত্ব যেন বাইরে প্রকাশ না পায়, সে জন্য তিনি সদা ব্যস্ত ছিলেন।

ধর্ষণের মদদদাতা

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিক্ষক কর্মচারী হত্যা ধর্ষণের ঘটনাগুলো সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের মদতেই হয়েছে। নাজিম মাহমুদ ‘যখন ক্রীতদাস : স্মৃতি ৭১’ গ্রন্থে লিখেছেন, আমাকে আড়ালে ডেকে ড. হোসায়েন বললেন ‘ইউ আর দ্য থার্ড ম্যান টু নো ইট’ এরপর নাজিম মাহমুদকে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন আরো বলেন, ‘যদি তুমি কোথাও ফাঁস করো, আমাদের জওয়ানেরা এই সব করে বেড়াচ্ছে, তাহলে তোমাকে কিন্তু বাঁচাতে পারবো না। সাবধান।’ একাত্তর সালের ২১ এপ্রিল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী অভিযোগ করেছিলেন যে, পাকিস্তানি সেনারা তার স্ত্রী ও কিশোরী মেয়েকে ক্যাম্পাসে ধর্ষণ করেছে! ওই সময় উপাচার্যের কার্যালয়ে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা নাজিব মাহমুদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাকিস্তানি সেনাদের নারকীয়তা গোপন করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন। নাজিব মাহমুদ লিখেছেন, ‘নয়ই নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে চল্লিশ জন জওয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে ঢুকে যে নারকীয় দৃশ্য রচনা করে, তাও ভাইস চ্যান্সেলরকে হজম করতে হয়। পরদিন দুপুরে আই.জি. চীফ সেক্রেটারী, হোম সেক্রেটারীর সঙ্গে মেয়েদের হল ঘুরে ফিরে দেখলেন ভাইস চ্যান্সেলর, তারপর তিনি বললেন: সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা রোকেয়া হলে ঢুকেছিল। কিন্তু কারা এই দুষ্কৃতকারী সে কথা স্পষ্ট উচ্চার তিনি করতে পারলেন না।’

হত্যার পেছনের কারিগর

‘একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়’ গ্রন্থে আহমদ শরীফ, কাজী নূর-উজ-জামান ও শাহরিয়ার কবির লিখেছেন, ‘দালাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে মুখ্য ব্যক্তিটি ছিলেন ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে তিনি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন বাঙ্গালী অধ্যাপক এবং দুই জন বাঙ্গালী অফিসারের একটি তালিকা তৈরী করে সামরিক হেডকোয়ার্টারে দাখিল করেন। এই তালিকায় অধ্যাপকদের ৪টি শ্রেণীতে বিভক্ত করে চার ধরনের শাস্তির জন্য সুপারিশ করেছিলেন (ক) হত্যা (খ) কারাদন্ড (গ) চাকুরী থেকে বহিস্কার (ঘ) ধরে নিয়ে প্রহার করার সুপারিশ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে দন্ড প্রাপ্ত অধ্যাপকদের অনেকেই আলবদর এবং পাকিস্তান সেনা বাহিনীর হাতে নিহত অথবা নির্যাতিত হয়েছেন।’

১৩ এপ্রিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজশাহী শহর দখলে নেয় এবং ১৪ এপ্রিল থেকে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ওই রাতে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিয়ন ইউসুফ ও আফজালকে পাঠানো হয় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোশাররফ হোসেনের কোয়ার্টার দেখিয়ে দেওয়ার জন্য। ওই দুজন পিয়নকে পাকিস্তানী সেনা বাহিনীল সদস্যদের সঙ্গে পাঠিয়েছিলেন সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন। কয়েক দিন পরে ওই দুই পিয়নের লাশ পাওয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প/১২ ডি’ ফ্ল্যাটে।

পাকিস্তানি সেনাদের হত্যাযজ্ঞ গোপন ও মিথ্যা তথ্য প্রচারকারী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরো শহর পাকিস্তানি সেনারা দখলে নিয়ে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, জখম, অগ্নিসংযোগসহ সব ধরনের নির্যাতন অব্যাহত রাখে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলে ক্যাম্প তৈরি করে প্রতিদিন সেখানে বাংলাদেশের পক্ষের লোক ধরে এনে নির্যাতন ও হত্যা করত পাকিস্তান সেনাবাহিনী। উপাচার্য হিসেবে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন এর কোনো প্রতিবাদ করেননি। তারপরিবর্তে তিনি এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাদের প্রশংসা করে রেডিওতে ঘোষণা করলেন, ‘তাদের চেষ্টায় রাজশাহীতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।’  

চৌদ্দ এপ্রিলের পর রাজশাহী শহর বাংলাদেশের পক্ষের মানুষের জন্য হয়ে পড়ে এক ‘মৃত্যুপুরী’। পাকিস্তানপন্থী শিক্ষকরা ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষের বেশিরভাগ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কমকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মার্চের পরই ক্যাম্পাস ছাড়েন এবং অনেকে যুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে যান। আবার অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের সেই রেডিও ভাষণ শুনে ক্যাম্পাসে ফিরে এসেছিলেন চাকরি রক্ষা করতে। কিন্তু এসে দেখেন, ভিন্ন চিত্র। ক্যাম্পাসে ফেরার পরই তারা বুঝতে পারেন সৈয়দ সাজ্জাদ একজন মিথ্যাবাদী, প্রতারক এবং পাকিস্তানী দালাল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের তালিকায় নেই সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মিস স্টক বিভাগীয় প্রধান থাকাকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের তালিকায় কোথাও সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের নাম নেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ১৯৬৯ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগেই ইউরোপে ছিলেন। ২৫ মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরো দেশে পাকিস্তানি সেনারা একযোগে হত্যাযজ্ঞ শুরু করলে তিনি স্বাধীনের আগে আর দেশে ফেরেননি। বিলেতে থেকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য কাজ করেছেন। বিশ্ব জনমত গঠনে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরির ভূমিকা বাঙালি চিরকাল স্মরণ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের এ বিষয়ে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর যোগসাজশে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আসনে বসানো হয়। সেটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কখনো স্বীকৃতি দেয়নি। কারণ আমাদের উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যখন বিদেশে যান তারপরে ২৫ মার্চের সেই হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী হত্যা-নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হন। অতএব এই সময়টাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ডকুমেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর নামই রাখা আছে। সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিয়োগ করেছে এটা একেবারেই একটা বেআইনি কাজ ছিল, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নাম এখন নেই।’

এ বিষয়ে ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন বলেন, ‘সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের নাম উপাচার্যের তালিকায় রাখতেই হবে। সেটা না করলে ইতিহাস বিকৃতি হবে। তবে তার নামের সঙ্গে “পাকিস্তানি দালাল ও সহযোগী” কথাটা সংযুক্ত করা প্রয়োজন।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্নচিত্র

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের মতো সম্মানজনক পদে এখনো সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের নাম ও ছবি ঝুলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন ও কার্যালয়ে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি তিন মেয়াদে এক দশকের বেশি সময় ক্ষমতায় থেকেও দালাল উপাচার্যের ছবি সরানোরর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। ওই উপাচার্যের ছবির ওপর ‘কালো কাপড়’ দিয়ে ঢেকে দেওয়া কিংবা তার নামের পাশে ‘পাকিস্তানি দালাল ও বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশাকারী’ লেখা হয়নি।

অথচ বর্তমান উপাচার্য মহোদয় প্রতিদিনই মুক্তিযুদ্ধের কথা বলছেন। কিন্তু তার বাসভবনে প্রতিদিন তিনি পাকিস্তানী দালাল উপাচার্যকে দেখে দিনের কাজ শুরু করেন। সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েনের নামে সঙ্গে দালাল শব্দটি লিখতে বর্তমান উপাচার্য মহোদয় আপত্তি না করলেও কখনো আগ্রহ দেখাননি। অন্তরে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ না থাকলে যা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে তাই হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আরেকজন পাকিস্তানি দালাল উপাচার্য

১৯৭১ সালে সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাওয়ার পর মুহম্মদ আবদুল বারী উপাচার্য হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। মো. এনামুল হক, ‘রাজশাহীতে মুক্তিযুদ্ধ’ গ্রন্থে লিখেছেন, ‘সামরিক সরকার ৩০ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পুনর্গঠনের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করে। সে কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো তিনজন শিক্ষক সে কমিটির সদস্য ছিলেন। তাঁরা হলেন ড. মুহম্মদ আব্দুল বারী, ড. মকবুল হোসেন ও ড. সফিউদ্দিন জোয়ার্দার। এঁরা সকলেই ছিলেন তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বা দালাল।’

পাকিস্তানের একনিষ্ঠ সহযোগী মুহম্মদ আবদুল বারীকে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৯৭৭ সালে জুলাইয়ে। ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। শুধু তাই নয়, মুহম্মদ আবদু বারী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পালন করেন। অথচ এই ব্যক্তির অধীনেই ১৯৭১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খুন-ধর্ষণ-নির্যাতন চলেছে। কিন্তু স্বাধীন দেশে সেই পাকিস্তানি সহযোগীকে পুরষ্কৃত করা হয়েছে। তার পরও আমাদের বলতে হবে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের উপর চলেছে?

লেখক : সাংবাদিক

তথ্যসূত্র
১। যখন ক্রীতদাস : স্মৃতি ’৭১, নাজিম মাহমুদ (বিপিএল প্রকাশক)
২। কাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়, আহমদ শরীফ, কাজী নূর-উজ-জামান ও শাহরিয়ার কবির (মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশ কেন্দ্র, ঢাকা)
৩। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস, আমানুল্লাহ আহমদ (হক্কানী পাবলিশার্স)
৪। একাত্তরের দিনগুলি, জাহানারা ইমাম (চারুলিপি প্রকাশন)
৫। রাজশাহীতে মুক্তিযুদ্ধ, মো. এনামুল হক (অনুপম প্রকাশনী)
৬। এই দেশে একদিন যুদ্ধ হয়েছিল, মহিউদ্দিন আহমদ (প্রথমা প্রকাশনী)
৭। একজন প্রবীণ বন্ধুর প্রয়াণে, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী (প্রথম আলো)

 



মন্তব্য