kalerkantho


নবম শ্রেণীতে বিভাগ নির্বাচন কতটা যৌক্তিক?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ জুন, ২০১৮ ১৭:২৫



নবম শ্রেণীতে বিভাগ নির্বাচন কতটা যৌক্তিক?

প্রতীকী ছবি

প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা নববর্ষ উদযাপন করতে গ্রামে গিয়েছিলাম। অনেক দিন পর বাড়িতে যাওয়ায় পরিবারের সবার মাঝেই এক ধরনের আনন্দ কাজ করেছে বুঝেছি। কবিরুজ্জামান টুটুল আমার চাচাত ভাই। বংশের সবার বড় বলে আমরা উনাকে বড় ভাই বলে ডাকি। বড় ভাই গ্রামেরই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আর ভাবী একই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষুক। খেয়াল করে দেখলাম, বড় ভাই মন ভার করে কী যেন ভাবছেন! পরের দিন দেখা করলাম তার সাথে। দেখা করতে গিয়ে বুঝলাম বড় ভাইয়ের একারই মন খারাপ নয়, চিন্তার মধ্যে রয়েছেন ভাবীও। ভাবীর কাছ থেকে সব কথা শুনে বুঝলাম দু’জনের চিন্তার কারণ তাদের একমাত্র সন্তান মাহামুদুজ্জামান মুবিন। 

মুবিন এবার নবম শ্রেণীতে উঠেছে। ছেলেটি জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ভালো করতে পারেনি। আমার ধারণা ছিল হয়তো এই জন্যই ভাই-ভাবীর মন খারাপ। কিন্তু না, উনাদের চিন্তার কারণ জেএসসির ফল নয়, বরং চিন্তার একমাত্র কারণ মুবিন বিজ্ঞান বিভাগে পড়তে আগ্রহী নয়, সে মানবিকে পড়তে চায়। ভাবীর ভাষ্য, ‘আমার অনেক স্বপ্ন ছিল, মুবিন ডাক্তার হবে। কিন্তু আজ সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।’ সমস্যা আঁচ করতে পেরে তাকে (ভাবীকে) বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে, বিজ্ঞান ছাড়াও মানবিক কিংবা ব্যবসা শাখা থেকেও প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়। আমার কথা বড় ভাই কিছুটা বুঝলেও ভাবী কিছুতেই বুঝতে চাইলেন না। 

ওখান থেকে ফিরে এসে ভাবতে শুরু করলাম। ছেলেটিকে তাঁর পছন্দের বিষয়ে পড়তে বাধা দেয়া হচ্ছে। বাবা-মা সন্তানের ভালো চায় তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু তাই বলে সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত আবেগ দিয়ে নেয়ার পক্ষে আমি নই। 

আসলে এ ধরনের সমস্যা শুধু কবিরুজ্জামানের পরিবারের একার নয়। এটা আমাদের জাতীয় সমস্যা। আমাদের দেশের অধিকাংশ বাবা-মা নিজেদের স্বপ্ন সন্তানকে দিয়ে পূরণে মরিয়া থাকেন। সন্তান কী হতে চায়- এটা অভিভাবকরা কিছুতেই পাত্তা দিতে চায় না। ছোটবেলা থেকেই অভিভাবকরা সন্তানের মাথায় ঢুকিয়ে দেন যে, বড় হলে ওই সন্তানকে অবশ্যই ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে। ভাবখানা এমন যে অন্য পেশায় গেলে মান-সম্মান সব শেষ হয়ে যাবে। 

আসলে আমাদের সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ হওয়ার পরিবর্তে আমরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হয়ে অনেক টাকা কামানোর কথাই বলছি বটে। একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কিংবা একজন দার্শনিক ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ে কোনো অংশে কম সম্মানের বলতে পারেন? শুধু তাই নয়, আমরা আমাদের সন্তানদের সবচেয়ে অধিক সম্মানের পেশা শিক্ষকতা, সেটাও হতে বলছি না। উল্টো বাজার দরের দিকে তাকিয়ে কোমলমতি সন্তানকে বাধ্য করছি বিজ্ঞান কিংবা ব্যবসা শাখায় পড়াশোনা করতে। দেশের অধিকাংশ শিক্ষিত বা সচেতন পরিবারগুলোর অবস্থা প্রায় এমনই। 

অন্যদিকে, অসচেতন অভিভাবকদের সন্তান কোন বিভাগে পড়ালেখা করবে অধিকাংশ সময়ই তা নির্ধারণ করেন স্ব স্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ অথবা প্রতিবেশি বড়ভাই বা প্রাইভেট টিউটর। এই ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ই দেখা যায়, যেসব ছাত্র-ছাত্রীর রোল নম্বর ক্রমিকের শুরুর দিকে তাদের বিজ্ঞান বিভাগ এবং অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের ব্যবসা শাখা এবং আরো বেশি দুর্বলদের মানবিক শাখায় পড়ার পরামর্শ দেয়া হয়। অনেক সময় শিক্ষার্থী নিজেও সিদ্ধান্ত নেয়। তবে নবম শ্রেণীর একজন ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না, এটাই তো বাস্তবতা। 

ওপরে আমি যে উদাহরণ দিলাম তা সবই আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি। পেশাগত এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কয়েক হাজার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেশার সুযোগ হয়েছে আমার। এর বাইরে আমার ছাত্রজীবনের একটি উদাহরণ দিতে চাই। আমি অষ্টম শ্রেণীর অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষায় গণিতে ৫০ এর মধ্যে মাত্র ১ পেয়েছিলাম। অবশ্য এই ফলের জন্য আমাকে শিক্ষককের হাতে পিটুনিও খেতে হয়েছে। কিন্তু সমস্যা বেধে গেল নবম শ্রেণীতে এসে। কেননা আমি বিজ্ঞান বিভাগ নিতে আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু আমার শিক্ষকরা আমাকে মানবিকে পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমি কোন বিভাগে পড়বো তা বুঝতে পারছিলাম না। তবে শেষ পর্যন্ত আমার বাবা শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন। সিদ্ধান্ত হয় বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার। নবম শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগ নেয়ার পর থেকে গণিতে আমি সবসময়ই প্রথম হতাম। ওই একই সময় আমাদের সঙ্গে সালাম নামের এক সহপাঠী শিক্ষকদের অনিচ্ছা থাকার পরও নিজের পছন্দে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়। সালাম বরাবরই কৃষি শিক্ষায় ভালো ছিল। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সে এসএসসিতে ভালো ফল করতে ব্যর্থ হলো। এ কারণে উচ্চ মাধ্যমিকে বিভাগ পরিবর্তন করে সে ব্যবসা শাখায় ভর্তি হয়। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকে খুব কম সময়ে বড় একটা কোর্স শেষ করতে হয়। কম সময়ে অধিক পড়াশোনার চাপে সে এইচএসসিতেও ভালো ফল করতে পারলো না। এসএসসি ও এইচএসসিতে রেজাল্ট ভালো না হওয়ায় দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার ফরম ওঠানোর যোগ্যতাও হারালো সে। দারুণভাবে ভেঙে পড়া সালাম পরবর্তিতে স্থানীয় একটি ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হয়। পড়ার মাঝপথে সে শ্রমিক ভিসায় মালেয়শিয়ায় পাড়ি জমায়। তাঁর স্নাতক শেষ হয়নি আজও। নবম শ্রেণীতে একটি সিদ্ধান্ত সালামকে কৃষিবিদ হতে দেয়নি। এটা কি শুধু সালামের একার ভুল? এসএসসিতে ভালো ফল করতে ব্যর্থ হয়েছি আমি নিজেও। গণিতে ভালো ফল করলেও অন্যগুলোতে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিলাম।

অথচ, মাধ্যমিক পর্যায়ে ষষ্ট থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত যে পদ্ধতি বর্তমানে চালু রয়েছে তা যদি দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত থাকতো এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে এসে যদি সরাসরি উচ্চ শিক্ষায় ভর্তির সুযোগ থাকতো। তাহলে নিশ্চয়ই আমি একজন গণিতবিদ এবং আমার সহপাঠী সালাম কৃষিবিদ হতে পারতো। কারণ দ্বাদশ শ্রেণীতে আমাদের বয়স ১৮ হতো। 

একটাবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো, আসলেই কি নবম শ্রেণীপড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী কি সিদ্ধান্ত নেয়ার উপযোগী হয়? 

অন্যদিকে, শ্রেণীকক্ষে ক্রমিকের প্রথমসারির শিক্ষার্থীদের আমরা যেভাবে প্রকাশ্যে মেধাবী বলে অ্যাখ্যা দেই, সেটাই বা কতটুকু যৌক্তিক? আমি বরাবরই ক্লাসের থার্ড বয় ছিলাম। কিন্তু সালামের রোল ছিল ১৭। অথচ ক্লাসের কেউই আমার সঙ্গে গণিতে এবং সালামের সঙ্গে কৃষি শিক্ষায় পেরে ওঠেনি। তাহলে কী বলবেন? ক্রমিকের প্রথমসারিতে রোল না থাকায় সালাম কি অমেধাবী?

একবার ভাবুন তো, শ্রেণীর প্রথমস্থান অধিকার করা ছেলে বা মেয়েটি যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়ালেখা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হতো, তাহলে ভবিষ্যত রাষ্ট্র কাঠামো কতই না শক্তিশালী হতো, তাই না? প্রথমস্থান অধিকার যে করবে সে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হবে- এ ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতেই হবে। 

অবশ্য এ অবস্থার জন্য আমি কোনভাবেই অভিভাবক কিংবা শিক্ষকদের দোষ দেয়ার পরিবর্তে দায়ী করবো রাষ্ট্রযন্ত্রকেই। কেননা, নবম শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী  আদৌ জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার উপযোগী হয়েছে কিনা, রাষ্ট্র কি এটা কখনো ভেবে দেখেছে?

নবম শ্রেণীতে বিভাগ নির্ধারণের বাধ্যবাধকতার কারণে কি ধরনের অসুবিধা হচ্ছে ওপরের বাস্তব উদাহরণগুলো থেকে নিশ্চয় সবাই অনুধাবন করতে পেরেছেন। এছাড়া অবস্থার ভয়াবহতা জানতে আমি বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের সঙ্গেও কথা বলেছি। 

রাজশাহীর বাঘার কালিদাশখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ প্রামানিকের মতে, একজন শিক্ষার্থী কোন বিভাগে ভর্তি হবে, তা চাপিয়ে দিলে ওই শিক্ষার্থী কঠিন অবস্থার মধ্যে পড়ে যায়। এক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের যখন অভিভাবকরা বিজ্ঞান বিভাগ নিতে বাধ্য করেন তখন ওই শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় ভালো করতে পারে না। ফলে ওখান থেকেই তার পড়াশোনার বিচ্যুতি ঘটে। পরবর্তিতে সে ঝরে যায়।

রবীন্দ্রনাথ প্রামানিকের এই কথার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চাঁপাইর বি বি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, বাবা-মা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানানোর জন্যই তার সন্তানকে বিজ্ঞান বিভাগ নিতে বাধ্য করেন। কিন্তু ওই সন্তান যখন এসএসসিতে জিপিএ-৫ না পায় তখন তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ওখানেই ভেঙে যাচ্ছে। কারণ মেডিকেল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের যোগ্যতা তার আর থাকছে না। ফলে ওই শিক্ষার্থী না পারে পেছনে ফিরে আসতে না পারে সামনে যেতে।’

শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেনকেও ছাত্র জীবনে তাঁর শিক্ষক বিজ্ঞান বিভাগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ফলে তিনিও এসএসসিতে ভালো করতে পারেননি। পরে এইচএসসিতে এসে তিনি ব্যবসা শাখায় ভর্তি হয়েছিলেন। এ বিষয়ে তোফাজ্জল হোসেনের মন্তব্য- তিনি আগে থেকেই হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে ভালো করতেন। ১৯৮৫ সালে তিনি যখন নবম শ্রেণীতে তখন বিজ্ঞান বিভাগ নিলেও ৪র্থ বিষয় হিসেবে হিসাববিজ্ঞান নেয়ার সুযোগ ছিল। পরে এইচএসসিতে এসে তিনি নিজের সিদ্ধান্তে ব্যবসা শাখায় ভর্তি হন।

আসলে নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী যে সিদ্ধান্ত নেয়ার উপযোগী হয় না, তা শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেনের জীবনের উদাহরণ থেকেও প্রতিয়মান। 

বিষয়টি সম্পর্কে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার মূল বিষয় নয়। অধিকাংশ অভিভাবকের প্রধান লক্ষ্যই হলো সন্তানকে ভালো চাকরি করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের আয় ভালো। মূলত এ কারণেই অভিভাবকরা সন্তানকে এটা চাপিয়ে দিচ্ছে। ফলে সন্তান নিরুপায় হয়ে পড়ছে। বাস্তব জীবনে ওই শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এ কারণে উল্টো ওই শিক্ষার্থী মুখস্থ নির্ভর হয়ে পড়ছে। 

আসলে প্রথমসারির রোল নম্বরধারীরাই যে কেবল মেধাবী, কথিত এই ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আবার যারা মেধাবী তাদেরকে বিজ্ঞান বিভাগ নিতেই হবে কিংবা একজন মেধাবী বিজ্ঞান বিভাগের সবগুলো বিষয় ভালো বুঝবে- এটাও সঠিক নয়। একজন মেধাবী গণিতে ভালো করতে পারে, কিন্তু সে পদার্থ বা রসায়নে ভালো নাও করতে পারে। রাষ্ট্রের উচিত যে যে বিষয়ে ভালো করবে তাকে সে বিষয়ে তালিম দেয়া। 

আমার মতে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে প্রথমত দশম শ্রেণী শেষে এসএসসি পরীক্ষা নেয়া বন্ধ করতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ি অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক এবং দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক পর্যায় কার্যকর করতে হবে। দ্বিতীয়ত, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় নামে কোনো কিছু থাকবে না। দ্বাদশ শ্রেণীতে এসে এসএসসি পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে। এরপর সরাসরি উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। শুধু উচ্চ শিক্ষাই নয়, এখান থেকেই নিশ্চিত করতে হবে কারিগরি শিক্ষাও। অর্থ্যাৎ, এই পর্যায়ে এসে একজন শিক্ষার্থীর বয়স হবে ১৮ বছর। এই বয়সে সে নিশ্চয় সিদ্ধান্ত নেয়ার উপযোগী হবে। বুঝতে পারবে বাস্তবতাও।

লেখক: জুবায়ের আল মাহ্‌মুদ
সাংবাদিক, পরিবেশ ও সমাজ উন্নয়নকর্মী

(এই বিভাগে প্রকাশিত লেখা ও মন্তব্যের দায় একান্তই সংশ্লিষ্ট লেখক বা মন্তব্যকারীর, কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ এজন্য কোনোভাবেই দায়ী নয়)



মন্তব্য