kalerkantho


আমি নিশ্চিত আমার এই দেশ সহসাই সেটা করবে না

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০১৮ ১১:৩৩



আমি নিশ্চিত আমার এই দেশ সহসাই সেটা করবে না

ঠিক পরিসংখ্যানটি আমার জানা নেই। তবে ধারণা এটাই যে, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং শাহাদাৎ বরণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের শতকরা ৮৫ থেকে ৯০ ভাগই ছিলেন কৃষক পরিবারের সন্তান। 

আমাদের বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধির মত বিচিত্র ক্যাটাগরিতে নানা চরিত্রের মানুষ অত্যন্ত মর্যাদার সাথে নিমন্ত্রণপত্র পান, তাদের জন্য আসনও সংরক্ষিত থাকে। অথচ একটি আসন, একটি নিমন্ত্রণপত্রও কৃষক পরিবারের ক্যাটাগরিতে কোন কৃষকের জন্য আজ পর্যন্তও বরাদ্দ হয়নি।

বরাবরের মত আজকেও, এই স্বাধীনতা দিবসেও দেশের সবকটি উপজেলা, জেলা সদর এবং রাজধানীতে সরকারিভাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে। এসব অনুষ্ঠানের জন্য নিমন্ত্রনপত্র ছাপা হয়েছে কম করে হলেও সর্বমোট এক থেকে দেড় লাখ। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি এর একটি নিমন্ত্রণপত্রও কৃষক পরিবারের ক্যাটাগরিতে কোন কৃষকের জন্য বরাদ্দ হয়নি। 

অথচ অনায়াসে প্রতিটি উপজেলা,জেলার সরকারি অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা জেলার ১০জন প্রবীনতম কৃষককে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রনপত্র দেয়া এবং তাঁদের জন্য ১০টি করে আসন সংরক্ষণ করে কৃষক পরিবারকে সম্মান জানানো সম্ভব। আর এই প্রবীনতম কৃষক খুঁজে বের করার অতি সহজ কাজটি করতে পারে জেলা এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ অথবা ইউনিয়ন পরিষদ। 

আমি নিশ্চিত আমাদের এই দেশ সহসাই সেটা করবে না।

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নুর ফেসবুক থেকে



মন্তব্য