kalerkantho


একটি 'ছাগল মারার' বিতর্কিত ঘটনা!

গাউস রহমান পিয়াস   

২ আগস্ট, ২০১৭ ১৫:২৭



একটি 'ছাগল মারার' বিতর্কিত ঘটনা!

আমার ছাগল ‌'মারার' স্মৃতি আরো ভয়ংকর। তখন মামাবাড়িতে পাকাপাকিভাবেই থাকি।

তাই চেহারাও পিঠাপিঠি মামাতো ভাইদের মতো হয়ে গেছে। বাজার বা বাসস্ট্যান্ডে ‌'কিঅ তোমার আব্বা কই' বা‌ 'সামাদ মাস্টারের পোলা এদিকে আস' জাতীয় কথা নিয়মিত শুনতে হয়েছে।  

পোস্ট মাস্টার মামার অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে ডাকঘর চালাই। এ কারণেও চারপাশের গ্রামের মানুষ ভাবত আমি সামাদ মাস্টারেরই পোলা।  

সেই মামার বাড়িতেই (কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রানীগাছ গ্রামে) ছাগলের ঘটনা। কে যেন খবর দিল- ঈদগাহ বাড়ির মিন্টুরে (ছদ্ম নাম) ‌'দুররা' দিব। ‌দুররা (দোররা) কি জানি না, জানতাম দৌড়, তাই দিলাম।  

গিয়ে দেখি; একটা ছাগী, পাশের ষাইটশালা গ্রামের পীর নানা ও আবদুল হক জটলার কেন্দ্রে। চারপাশে কিছু মানুষ।

নানা বেত হাতে মিন্টুরে কিছুক্ষণ মারলেন, সাথে বকা ‌'নালায়েক, বদমাশ'! তার পরই ছাগলটাকে জবাই করে দাফন করা হলো। আমার তখনো অ্যান্টেনায় আসছিল না- ছাগল, দুররা- এসবের মানে কী! 

কিছুদিন পর বুঝেছিলাম এবং বুঝেছিলাম বলেই আর ভুলতে পারি না। ‌গ্রামে নারী নির্যাতনের ঘটনায়ও দুররা মারা দেখেছি। তবে 'ছাগল মারার' ঘটনায় ছাগলকে মেরে ফেলার ওইটাই প্রথম ও শেষ ঘটনা চাক্ষুষ। ‌ 

মনে হচ্ছে, ছাগল নিয়ে স্টেটাস দেওয়ায় খুলনার বিশিষ্ট সাংবাদিক আবদুল লতিফ মোড়লকে এই দোররাই মারা হচ্ছে, ৫৭ ধারার নামে।

লেখক : সাংবাদিক


মন্তব্য