kalerkantho

বন্ধ হোক নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য

৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় সহযোগী হিসেবে নারী আজ পিছিয়ে নেই। জাতীয় উন্নয়নের সব কর্মকাণ্ডে নারী আজ পুরুষের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে চলেছে। নারী আজ আর অবহেলিত পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী নয়। নারীর এই নতুন অধ্যায়ে আসতে অনেক সংগ্রাম, ত্যাগ এবং আন্দোলন করতে হয়েছে। সভ্যতার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নারীরা পুরুষের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ নারীরা হয়েছে বঞ্চিত, নির্যাতিত আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজের কিছু কুচক্রী মহলের দ্বারা। মজুরির ক্ষেত্রে নানা বৈষম্য, কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন, নানা বাধা নারীকে করে আরো প্রতিবাদী ও সোচ্চার। নারীর পদমর্যাদা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠার অপশক্তি রয়েছে সমাজে। এ অপশক্তি নারীকে পর্দার অন্তরালে রেখে তাকে পণ্য হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত। দেশের নির্বাহী প্রধান নারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার নারী। এ ছাড়া আরো বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে বর্তমানে নারী ক্ষমতাসীন রয়েছেন। বাংলাদেশের সংবিধানসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালায় নারীর রাজনৈতিক-সামাজিক ক্ষমতায়ন ও অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এত কিছুর পরও কেন পিছিয়ে থাকবে নারীরা? প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সেই সদিচ্ছা পূরণের জন্য দৃঢ় অঙ্গীকার। জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও যুগোপযোগী শিক্ষার প্রসার হতে পারে কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

মো. ইলিয়াছ হোসেন

খটখটিয়া, মহানগর, রংপুর।

মন্তব্য