kalerkantho

অদম্য অগ্রযাত্রার ছোঁয়া লাগুক সবখানে

২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



►বাংলাদেশ বিশ্বে আজ উন্নয়নের রোল মডেল। সমৃদ্ধির অদম্য অগ্রযাত্রার পথে রয়েছে বাংলাদেশ। গত কয়েক বছর ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাক শিল্পের প্রবৃদ্ধিও ভালো। গত কয়েক বছর ধরে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে ‘মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশের’ পথে এগিয়ে চলেছে দেশ। ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশের থেকে এগিয়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। কৃষিক্ষেত্রেও সাফল্য আসছে। নারীর ক্ষমতায়ন বাড়ছে। কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রবেশ বাড়ছে। শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভালো অবস্থানে আছে। গড় আয়ু বেড়েছে। বেড়েছে সাক্ষরতার হার। স্বাধীনতার এ স্বপ্নযাত্রায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে  সামনের দিনগুলোতে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে আরো বেশ কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। পরীক্ষা ও পাসের হারের চেয়ে শিক্ষার মানের দিকে নজর দিতে হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায়। পরিবেশদূষণসহ বিভিন্ন সূচকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। সব ক্ষেত্রে দুর্নীতি রোধ করতে হবে। অর্থপাচার রোধ করতে হবে। ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থনৈতিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে হবে। বৈষম্য কমাতে অর্থনৈতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি। মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ! মত প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশকে আরো উন্নতি করতে হবে। দেশের উন্নয়নে সব পর্যায়ের তরুণ জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে হবে। তরুণ জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে হবে। দেশের উন্নয়নে বিনিয়োগের সব ধরনের সমস্যা দূর করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে। জাতির পিতা সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁরই স্বপ্ন দেখানো পথে ভেদাভেদ ভুলে এগিয়ে যেতে হবে। 

সাধন সরকার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। 

মন্তব্য