kalerkantho

সতর্ক ও সচেতনতার বিকল্প নেই

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারি উদ্যোগে দেশের অনেক উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক একটি দিক। এসব কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে রক্ষা পেতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোরও পদক্ষেপ নিতে হবে। আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম স্থানান্তর বাধ্যতামূলক করাসহ বাসাবাড়ি, অফিস সব ক্ষেত্রেই অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা করতে হবে। চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড আরো একবার স্মরণ করিয়ে দিল যে রাসায়নিক গুদাম ও কারখানাগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ দ্রুত সম্পন্ন হওয়া দরকার। আর গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের মান সম্পর্কে কঠোর হওয়া ছাড়া এ ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। কারণ ঝুঁকিপূর্ণ কলকারখানা, গ্যাস সিলিন্ডার ও গুদামের সঙ্গে মানুষের বেঁচে থাকা এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব জড়িত। প্রবাদ আছে, চোরে নিলে তবু বেড়া থাকে, আগুনে নিলে কিছুই থাকে না। লক্ষণীয় যে প্রতিবছরই আগুনে প্রাণহানি ও সম্পদহানি ঘটে থাকে। সংগত কারণেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। চকবাজারের মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই। অগ্নিকাণ্ডে ভয়াবহ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সবাইকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে।

শুভ্র ঘোষ

কলকলিয়াপাড়া, মাগুরা।

মন্তব্য