kalerkantho

অভিযোগ খতিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিন

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



► মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর সেবা মারাত্মক রকমের অসন্তোষজনক। দিন দিন সেবার মান অবনতির দিকে যাচ্ছে। কলড্রপের সংখ্যা বাড়ছে। কলড্রপের বিষয়ে অভিযোগ করেও সমাধান মেলে না। অন্যদিকে তারা হরেক রকমের ভুজুংভাজুং অফার দিয়ে প্রতারণার মুখে ফেলছে গ্রাহকদের। কলরেট সুবিধা থেকেও গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছে। সাত দিন, ৩০ দিন ও ৯০ দিন মেয়াদে কলরেট ব্যবস্থা গ্রাহকদের দ্বিধার মধ্যে ঠেলে দেয়। কম্পানিগুলো গ্রামীণ এলাকার মানুষকে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। তবু আমাদের টনক নড়ছে না। ডাটা সার্ভিস বেহাল, অফারের ফুলঝুরি। নেটওয়ার্ক সার্ভিসের উন্নতমানের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে গ্রাহককে মুলা ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নেটওয়ার্কের মান যাচ্ছেতাই। ডাটা অফারে সর্বনিম্ন এক টাকায় ২০ এমবি দেওয়া হয় এক দিন মেয়াদে। এটা খুব বাজে ব্যবস্থার উদাহরণ। ডিজিটাল সময়ে ডাটা মূল্য কম হওয়ার পরিবর্তে বাড়ছে। অন্যদিকে এক মাস মেয়াদে ডাটা কিনতে গেলে গুনতে হয় ১০০-এর বেশি টাকা। ডাটার মেয়াদও অল্প সময়ের জন্য দেওয়া হয়। দিন দিন ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা বাড়ছে, ডাটার চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে অভিযোগের শেষ নেই। এবার আসুন ইমার্জেন্সি ব্যালান্সের কথায়। প্রথম দিকে ইমার্জেন্সি ব্যালান্সে কোনো চার্জ নিত না একমাত্র বাংলালিংক। বেশ কিছুদিন পর ইমার্জেন্সি ব্যালান্সে ২.৩০ টাকা হারে চার্জ কাটতে শুরু করে তারা। রবি ইমার্জেন্সি ব্যালান্স বলতে টকটাইমকে মেনশন করে। সেখানে আট ঘণ্টা মেয়াদে মিনিট দেওয়া হয়, যা গ্রাহকের জন্য সুখকর নয়। আরো আছে, কল সেন্টারে গ্রাহকসেবা পাওয়া দুষ্কর। অনেক মানুষ এ বিষয়ে অভিজ্ঞ নয়। তাদের বিষয়ে চিন্তা করা দরকার কম্পানির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। সব ব্যবস্থা আরো সহজ ও সাবলীল করা উচিত। তাহলে মানুষের সন্তুষ্টির মাত্রা বাড়বে। সব মানুষের কথা বিবেচনা করে অফার দেওয়া উচিত। সরকারের কাছে আবেদন, এসব ত্রুটি সমাধানে তাদের তাগাদা দিন। মোবাইল অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মুহসিন মুন্সী

দৌলতপুর, খুলনা।

মন্তব্য