kalerkantho


শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে

১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



নগর পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরেনি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর আশা করা গিয়েছিল, ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটবে গণপরিবহন সেক্টরে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অন্যদিকে নগর পরিবহনের ক্ষেত্রে ভাড়া আদায় নিয়ে চলছে চরম নৈরাজ্য। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্যাক্সিক্যাব ও কাউন্টার বাস সার্ভিস কোনো নীতি মেনে চলছে না। দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীরা জিম্মি। নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রীরা উপায়হীন হয়ে জ্বালাতন সয়ে যাচ্ছে। স্বল্প আয়ের মানুষ বাস, অটোরিকশা ও ট্যাক্সিক্যাবের ওপর বিরক্ত। যানবাহনের চালক ও মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা যেন দিন দিন সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে! সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্যাক্সিক্যাবের দৌরাত্ম্যের শেষ নেই। মিটারে নয়, মনগড়া চলাচলেই তারা অভ্যস্ত। এগুলো দেখার যেন কেউ নেই। অতিষ্ঠ হয়ে এখন যাত্রীরা ‘উবার’, ‘পাঠাওয়ে’র মতো অ্যাপস-নির্ভর সার্ভিসের দিকে ঝুঁকছে। বাস কাউন্টারে নিয়মিত চলছে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায়ের নানা ফন্দি। সরকারিভাবে ভাড়া নির্ধারণ করা হলেও পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা তা মানছে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা জরুরি। বর্তমানে রাজধানীতে লোকাল বাসের পাশাপাশি চলছে বিভিন্ন ধরনের ‘কাউন্টার সার্ভিস’। আর এই সার্ভিসের নামে একই রুটে একই দূরত্বে আদায় করা হচ্ছে একেক রকমের ভাড়া। অন্যদিকে বাসের গায়ে সিটিং সার্ভিস লেখা থাকলেও বেশির ভাগ সার্ভিসে দাঁড় করিয়েও যাত্রী নেওয়া হয়। দু-একটি রুটে বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু হলেও সেবার মান নিয়ে যথেষ্ট অভিযোগ রয়েছে। কোনো বাস সার্ভিসই সরকার নির্ধারিত হারে ভাড়া আদায় করে না। নানা অজুহাতে মালিক-শ্রমিকরা সরকারের আইনকে অমান্য করে বেশি ভাড়া আদায় করছে। নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে সিএনজি, অটোরিকশা, ট্যাক্সিক্যাব যাতে মিটারে চলে সেই ব্যবস্থা করতে হবে এবং যাত্রীদের প্রয়োজন অনুযায়ী যেন গন্তব্যে যায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনের সংকট দূর করতেও সরকারিভাবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সীপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।



মন্তব্য