kalerkantho


বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন

১২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



► তথ্য-প্রযুক্তির যুগে দিন দিন সর্বত্র প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি জনসচেতনতাও বাড়ছে। অজানাকে জানার বা অন্যকে জানানোর এবং অদেখাকে দেখানোর বা অন্যকে দেখানোর কৌতূহল থেকেই মানুষ গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। এই তীব্র প্রতিযোগিতার যুগে একটি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। খবর সৃষ্টি করা গণমাধ্যমের কাজ নয়, বরং খবর সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই গণমাধ্যমের প্রধান কাজ।  সংবাদের ভগ্নাংশ প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা উচিত নয়। দুঃসংবাদের পাশাপাশি সুসংবাদও গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা উচিত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি ভালো উদ্যোগের খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ পেলে অন্যরাও ভালো কাজ করতে উৎসাহী হবে। ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি কালের কণ্ঠ প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি দশম বর্ষে পদার্পণ করেছে। পত্রিকাটির ব্যাপক প্রচার ও প্রসার অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। দেশের মানুষের মনের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে বলেই কালের কণ্ঠ’র পাঠক সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। পত্রিকাটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, সাংবাদিকতার নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করা এবং সব শ্রেণির পাঠকের চাহিদা পূরণ করা। পাঠকের মতামতকেও পত্রিকাটি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত প্রতি সপ্তাহে একটি পৃষ্ঠায় প্রকাশ করা হয়ে থাকে। একইভাবে প্রতি মাসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর মাসিক মতামত পৃষ্ঠা প্রকাশের উদ্যোগ নিন। শ্রেষ্ঠ মতামত প্রদানের জন্য মাসিক বা বার্ষিক পুরস্কারেরও ব্যবস্থা করা উচিত। এর ফলে মতামত প্রদানকারীরা আরো উৎসাহ পাবে। নিয়মিত পাঠক হিসেবে পত্রিকাটির নীতিনির্ধারক এবং সাংবাদিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানাই। আশা করি পত্রিকাটির জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়বে।

বিপ্লব বিশ্বাস

ফরিদপুর।

 



মন্তব্য