kalerkantho


মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান জরুরি

৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



নতুন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করি। বঙ্গবন্ধু হত্যা, চার নেতা হত্যার বিচার, ২১শে আগস্ট গ্রেনেট হামলার বিচারের শেষ অধ্যায় দেখতে চাই ও দোষীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জাতীয়করণ প্রত্যাশা করি। রাজনৈতিক মাঠকর্মীরা জনগণের বিপদে যাতে এগিয়ে যায় এবং সমাজের দুর্বল নিরীহদের প্রতি যাতে কোনো ধরনের হুমকির কারণ না হয় সেদিকে সরকারের বিশেষ নজর রাখতে হবে। সাধারণ জনগণের ভয়ভীতি দূর হয়ে স্বাভাবিক জীবনমান যাতে অব্যাহত থাকে এবং তারা যাতে নিজ উৎসাহে নিজের ও দেশমাতৃকার উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করে, সে কৌশলে সরকার দেশ পরিচালনা করুক। বেকার যুবশক্তিকে পরিকল্পিতভাবে চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় করে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মীর হাতে রূপান্তরিত করতে হবে এবং প্রশিক্ষণ শেষে তারা যাতে দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থান করতে পারে, সে জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ সরকার থেকে প্রত্যাশা করি। সিনিয়র সিটিজেন ও মুক্তিযোদ্ধাদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সম্মান প্রদর্শনের জন্য সরকারি নীতিমালা চাই। ধনী-দরিদ্র ভেদাভেদ কমাতে হবে। যানবাহন চালকদের হাতে তরতাজা মানুষ মারার নিষ্ঠুর ঘটনাবলি বন্ধের ফলপ্রসূ পদক্ষেপ চাই। মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকুক। শিল্প-কারখানার সংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়ন আশা করি। মিঠা পানির মাছের বংশ বৃদ্ধির ও নদী-সাগরের কাঁকড়া এবং মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির পদক্ষেপ প্রত্যাশা করি। সরকার যে ইশতেহার দিয়েছে, তার যথাযথ বাস্তবায়ন চাই। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়ন ও শান্তি স্থাপনে পদক্ষেপ চাই।

এইচ কে নাথ

চট্টগ্রাম।



মন্তব্য