kalerkantho

জনগণ নির্ভয়ে যেন ভোট দিতে পারে

২০ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বাংলাদেশের বড় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল। দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা ও দলীয় প্রধান কারাবন্দি থাকাসহ বিভিন্ন কারণে বিএনপি বর্তমানে কোণঠাসা। কিছুদিন পরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বড় রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের সব নাগরিকের কাছে এক মহামাহেন্দ্রক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নাগরিকসমাজ, বুদ্ধিজীবীসমাজের চাওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এ দাবিতে ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের জন্য সংবিধানপ্রণেতা ড. কামালের নেতৃত্বে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ গঠিত হয়েছে। এটা বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে অবশ্যই একটা ইতিবাচক দিক। কারণ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ, গণতন্ত্রের চর্চা করতে গেলে বিভিন্ন মতাদর্শের শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন। এক দলই যদি রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে গণতন্ত্রের চর্চা বলতে কিছু থাকবে না এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অধিকার আদায় ব্যাহত হবে। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক যৌক্তিক সমালোচনা ও নিজেদের লক্ষ্য জনগণকে জানানোর জন্য দরকার সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ, যার মাধ্যমে জনগণ তার দাবি আদায় ও মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে দল নির্বাচন করবে এবং নির্বাচনে ভোট প্রদান করবে। নির্বাচনের কথা উঠলে প্রায়ই শোনা যায়, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’-এর কথা। নতুন জোটের আত্মপ্রকাশ অবশ্যই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। আমাদের চাওয়া হচ্ছে, নির্বাচন যেন সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হয়, জনগণ নির্ভয়ে যেন ভোট দিতে পারে।

মুহাম্মদ আবু তালহা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল।

মন্তব্য