kalerkantho


প্রশিক্ষণ ও মানসিক প্রস্তুতি জরুরি

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে আসা গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেয়নি নির্বাচন কমিশন। এখন শেষ সময়ে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়টি সামনে এনে নতুন বিতর্ক তৈরি করছে। যদিও বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে। ইসিও এত দিন বলে এসেছে, সব দল না চাইলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি বা কারিগরি সামর্থ্যও এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হবে। এই সময়ে ইসি কেন বা কার স্বার্থে ইভিএম নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তড়িঘড়ি করে নেওয়া এই প্রকল্প প্রস্তাবের সম্ভাব্যতাও যাচাই করা হয়নি। ইভিএম কেনা ও অল্প সময়ের মধ্যে আরপিও সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে খোদ ইসিতেই প্রশ্ন আছে। কেউ কেউ মনে করে, এই মুহূর্তে ইভিএমের আলোচনা সামনে আনা বা বিপুলসংখ্যক ইভিএম ক্রয় করা অনাবশ্যক। এতে বিতর্ক বাড়বে। কারণ ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক দ্বিমত যেমন আছে, তেমনি ভোটারদের অনেকের অনীহাও আছে। প্রশিক্ষিত জনবলও নেই। জাতীয় নির্বাচনের অল্প সময় বাকি। এর মধ্যে এতগুলো ইভিএম কেনা, আইন সংশোধনের উদ্যোগে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ভোটের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ভোটারদের ইভিএমের ব্যবহার শেখানো এবং জনগণকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা জরুরি। এ নিয়ে সব দলের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এসব করতে অনেক সময় লাগবে।

এস এম সাইদুর রহমান উলু

স্কুলপাড়া, ঈশ্বরদী, পাবনা।



মন্তব্য