kalerkantho


মানুষের ভোগান্তি কমানোটাই মুখ্য

১১ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



ট্রাফিক সপ্তাহ পালন গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে না, তবে এটা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে নতুন গতি আনে, পরিবহনসংশ্লিষ্ট আর যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায়। তবে পাশাপাশি আরো অনেক কিছু করার আছে। সে ক্ষেত্রে নিচের প্রস্তাবগুলো ভেবে দেখা যেতে পারে—

শত শত মানুষ গাড়ির জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে, আর ‘সিটিং সার্ভিস’গুলো জনাকয়েক যাত্রী নিয়ে চলে যায়। ঢাকায় পাঁচটি গাড়ির বিপরীতে একটি সিটিং সার্ভিস থাকতে পারে। স্বল্প দূরত্বের জন্য আলাদা গাড়ি থাকবে। এই গাড়িগুলো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও মোড়ে থামবে। গাড়ি থামার স্থানগুলো লোকসমাগম হয় এবং সহজে ওঠা-নামা করা যায়, এমন স্থানে করতে হবে। একটি গাড়ি এক স্টপেজে দুই মিনিটের বেশি থামতে পারবে না। উড়াল সেতুগুলোতে যাত্রী ওঠানো-নামানো যায় না বলে ‘সিটিং সার্ভিস’ গাড়িগুলো নিচ দিয়ে চলাচল করে। উড়াল সেতুতে যাত্রী নামার জন্য নির্দিষ্ট পয়েন্ট থাকা দরকার। উড়াল সেতুতে গাড়ি থামার স্থান থেকে অন্তত ৫০ গজ দূরত্ব থেকে ছোট ছোট স্পিডব্রেকারের ধাপ করে দিয়ে এর পাঁচ গজ দূরে গাড়ি থামানো হলে দুর্ঘটনার কোনো ভয় থাকবে না। ঢাকায় ওভারব্রিজ নয়, আন্ডারপাস বাড়াতে হবে এবং তা হতে হবে উপযুক্ত স্থানে।

আব্দুর রহমান

গৌরনদী, বরিশাল।



মন্তব্য