kalerkantho


প্রয়োজন সার্বিক নীতিমালার বাস্তবায়ন

১১ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



পুলিশ সপ্তাহের সঙ্গে নিয়মিতভাবে প্রশাসনকে অবশ্যই সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী সে যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি পুরোপুরি নির্মূল করতে হবে। প্রয়োজনে বাস ছেড়ে যাওয়ার স্থানগুলোতেই পরিবহন কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ নিযুক্ত করতে হবে, যাতে করে ছেড়ে যাওয়ার আগেই সব বৈধ কাগজপত্র পরীক্ষা করে গাড়ি ছাড়া হয়। পরিবহন মালিক সমিতিকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। কোনোক্রমেই অদক্ষ চালকের হাতে গাড়ি তুলে দেওয়া যাবে না। গাড়ি চালনার ক্ষেত্রে চালক ও কর্মচারীদের মধ্যে বেশি যাত্রী পাওয়ার অশুভ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে। গণপরিবহনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অরাজকতা হচ্ছে অধিক ভাড়া আদায়। বর্তমানে প্রত্যেক যাত্রীকে এ ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। এ বিষয়টিতে সরকারকে নজর দিতে হবে। সরকারকে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সিটিং বাসগুলো যাত্রী হয়রানির চরমে পৌঁছে গেছে। ট্রাফিক সপ্তাহ পালনের কার্যক্রম আমাদের গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর সহায়ক কার্যক্রম হতে পারে। এতে করে সাধারণ জনগণসহ সবাই ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন হবে। তবে শুধু ট্রাফিক সপ্তাহ পালনে সীমাবদ্ধ থাকলেই আমাদের গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব হবে না। বছরের প্রতিটি দিনই ট্রাফিক পুলিশকে তার নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনোক্রমেই আইন ভঙ্গকারী ছাড় পাবে না। সরকারকে প্রণীত নীতিমালার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে যুগোপযোগী দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে।

মাজহারুল ইসলাম লালন

নকলা, শেরপুর।



মন্তব্য