kalerkantho


আমাদের কষ্ট কেউ বোঝে না

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



প্রতিদিন প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা শুনে ইচ্ছা করে লেখাপড়া বন্ধ করে দিই। আমি অষ্টম শ্রেণিতে। নভেম্বরে আমাদের জেএসসি পরীক্ষা। সকাল-সন্ধ্যা পরিশ্রম করছি ভালো ফল করার আশায়। অন্যরা লেখাপড়া না করে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন হাতে পেয়ে ভালো ফল করবে, তা মেনে নিতে খুবই কষ্ট হবে। নিজেদের কষ্ট, মা-বাবার কষ্ট, টাকা খরচ—এগুলো করে আমাদের কী লাভ? আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে পত্রিকা হাতে দেখি—এমসিকিউ বাতিল হতে পারে। এখন আমাদের সাতটি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে হচ্ছে, আগে লিখতে হতো ছয়টির। ছয়টি মানে ২৪টি, এখন সাতটি মানে ২৮টি প্রশ্নের জবাব লিখতে হয়। লিখতে লিখতে হাত ব্যথা হয়ে যায়। যাঁরা বারবার পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন করছেন, তাঁরা পরীক্ষা দিয়ে দেখুন, আমাদের অর্ধেকও লিখতে পারবেন না। অবজেকটিভ বাদ দিতে চাচ্ছে কেন? অল্প কিছু খারাপ মানুষের জন্য আমরা কেন কষ্ট পাব? প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ না করে শিক্ষার্থীদের মাথায় নতুন নতুন পদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা লেখাপড়া করে মানুষ হতে চাই। আমাদের কষ্ট করে পড়তে ইচ্ছা করে না। আনন্দ নিয়েই পড়তে ইচ্ছা করে। এগুলো শুধু আমার কথা নয়, আমার সব বন্ধুর কথা। প্রশ্নপত্রের আরো সিকিউরিটি দরকার।

অভ্র ফারিহা

তেজগাঁও, ঢাকা।



মন্তব্য