kalerkantho


আগের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



প্রশ্নপত্র আগেও ফাঁস হয়েছে, সেটা ছিল অল্প। এখন অনেক বেশি হচ্ছে। ২০১৪ সালে বড় মেয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়, কলেজ ছিল সেনানিবাস এলাকায়। ওদের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে। একেবারে শেষে সেই পরীক্ষা আবার নেওয়া হয়। অন্য বিষয়ের প্রশ্নও ফাঁস হওয়ার খবর পেয়েছি, এমনকি কেন্দ্রে দেখেছি। পরীক্ষা শুরুর অনেক আগেই শিক্ষার্থীরা চলে আসে, একজনে পেলে প্রশ্ন সলভ করে আনে, অন্যরা দেখে। হলে ঢুকে ঠিক ঘণ্টা পড়ার আগ মুহূর্তে। আমি ও আমার সন্তানের সততার প্রমাণ অন্যের কাছে দিইনি, নিজেদের কাছেই দিয়েছি। কখনোই কোনো প্রশ্ন পাওয়ার আশা বা খোঁজ করিনি। অথচ কোচিং সেন্টারের কেন্দ্রবিন্দু ফার্মগেটে আমার বাসা ছিল। এই বছর ছোট মেয়ে জেএসসি পরীক্ষা দেবে। গত ডিসেম্বর থেকেই মেয়েকে অতিরিক্ত পড়াচ্ছি। পরীক্ষার জন্য তৈরি করছি। কিন্তু এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের দুর্যোগের খবর প্রতিনিয়ত আমাকে, আমার সন্তানকে ঘুণপোকার মতো খেয়ে খেয়ে দুর্বল করে দিচ্ছে। ইচ্ছা করে লেখাপড়া বন্ধ করে মেয়েকে ঘরে বসিয়ে রাখি। প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে এখন আর আমাদের বিবেকের দোহাই দিয়ে লাভ নেই। পুরো পরীক্ষা পদ্ধতি পাল্টাতে হবে। ১৯৯২ সালের আগে যা ছিল, তাই করতে হবে। ৮০ পেয়ে ‘এ প্লাস’, ৯৯ পেয়ে ‘এ প্লাস’ বন্ধ করতে হবে।

রহিমা আক্তার মৌ

চাটখিল, নোয়াখালী।


মন্তব্য