kalerkantho


সত্যিই

শহরের বুকে সবুজ বন

নাবীল অনুসূর্য

৫ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



শহরের বুকে সবুজ বন

ইতালিয়ান স্থপতি স্তেফানো বুয়েরির নকশায় চীনে একটি ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ভবন একটি হলেও তাতে থাকবে দুটি টাওয়ার। একটি ছোট, আরেকটি বড়। চীনের নানচিনিং শহরের এই দুই টাওয়ার নিয়ে ওখানকার মানুষের মধ্যে উৎসাহের কমতি নেই। কারণ কাজ শেষ হলে ভবন দুটি দেখলে মনে হবে, দুটি আকাশছোঁয়া লম্বা বাগান। স্তরে স্তরে সাজানো বাগান উঠে গেছে আশপাশের স্কাইস্ক্র্যাপারগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে।

ওটার নাম রাখা হয়েছে নানচিনিং টাওয়ার। কাজ শেষ হবে ২০১৮ সালে। ওটাকে বলা হচ্ছে এশিয়ার প্রথম ‘ভার্টিকাল ফরেস্ট’। বড় টাওয়ারটা লম্বায় ৬৫৬ ফুট, আর ছোটটি ৩৫৪ ফুট। বড়টিতে থাকবে অফিস স্পেস, জাদুঘর, গ্রিন আর্কিটেকচার স্কুল আর রুফটপ ক্লাব।

ছোটটি হবে ২৪৭ কামরার হোটেল। তার ছাদে আবার সুইমিংপুলও থাকবে। আর এই দুটি টাওয়ারই আগাগোড়া মোড়া থাকবে সবুজ গাছগাছালিতে। টাওয়ার দুটিতে থাকছে হাজারেরও বেশি গাছ। আর গুল্ম, মানে ঝোপজাতীয় গাছ থাকছে আড়াই হাজারের মতো।

সব মিলিয়ে শহরের বুকে এক সত্যিকারের লম্বাটে সবুজ বনই হতে যাচ্ছে এই নানচিনিং টাওয়ার। শুধু দেখতেই নয়, টাওয়ারটা সত্যিকারের বনের কাজও করবে। মানে বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড টেনে নিয়ে তার বদলে অক্সিজেন ছাড়বে। এর পরিমাণটাও নিতান্ত কম নয়। প্রতিদিন প্রায় ৬০ কেজি করে অক্সিজেন উত্পাদন করবে নানচিনিং টাওয়ার। স্তেফানোর বানানো এমন অক্সিজেনের কারখানা অবশ্য এটাই প্রথম নয়, তবে এশিয়ায় প্রথম। এর আগে তাঁর নিজের দেশ ইতালির মিলানে এমন দুটি টাওয়ারের লম্বাটে সবুজ বন বানিয়েছেন। ওটার নাম বস্কো ভার্টিকেল। স্তেফানোর পরিকল্পনায় অমন ধরনের আরেকটি অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের কাজ চলছে সুইজারল্যান্ডের লুজেন শহরেও।


মন্তব্য