kalerkantho

বিচিত্রা

চুম্বক মানব

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



চুম্বক মানব

তাঁর গোটা শরীরই বোধ হয় চুম্বকের তৈরি! তা না হলে থালা-বাটি, তৈজসপত্র, লোহার সামগ্রী—সব টপ টপ করে শরীরে আটকে থাকে কী করে?

সত্যি এর কোনো কারণ নিজেই জানেন না ৩৮ বছর বয়সী বসনীয় নাগরিক নারমিন খলিলাবিচ। একদিন নারমিন ও তাঁর ছেলে খাওয়ার পর প্লেট পরিষ্কার করছিলেন।

একটি প্লেট পরিষ্কার করতে গিয়ে নারমিন হঠাত্ আবিষ্কার করেন, প্লেটের ওপর থাকা কাঁটাচামচটি কোনো কারণ ছাড়াই আটকে গেছে তাঁর হাতের সঙ্গে! ভয়ে চমকে উঠলেন বাপ-বেটা দুজন।

পরে ঘটনাটি বোঝার জন্য নারমিনের ছেলে তাঁর শরীরে একের পর এক ধাতব জিনিস ছোঁয়াতে লাগলেন। আর কী আশ্চর্য! সবই লেগে থাকছে নারমিনের শরীরে। তাঁরা নিশ্চিত হলেন, নারমিনের শরীর থেকে বিশেষ কোনো শক্তি নির্গত হচ্ছে। সে অদৃশ্য শক্তির বলে শরীরে লেগে থাকছে জিনিসগুলো। শুধু তা-ই নয়, পরে বিভিন্ন পরীক্ষা করতেই দেখা গেল, চামচ, কাঁটাচামচ, ছুরির মতো শুধু ধাতব পদার্থই নয়, নারমিনের ওই আশ্চর্য শরীরে অধাতব পদার্থ যেমন—প্লাস্টিকও দিব্যি লেগে থাকছে! রিমোট কন্ট্রোল, প্লেট, গ্লাস এমনকি মোবাইল ফোনও বাদ যাচ্ছে না! নারমিন জানান, যখন তাঁর বিশেষ শক্তির বলে সব জিনিস আটকে থাকে, তখন কোনো ধরনের পরিবর্তন টের পান না শরীরে।

এর আগে ২০১১ সালে নিজের গায়ে ৫০টি চামচ আটকে দুনিয়াকে চমকে দিয়েছিলেন ৪১ বছর বয়সী ইতিবার এলশিয়েভ। তিনি জর্জিয়ার কিক বক্সিং কোচ। পরে ২০১৩ সালে দেহের পেছনে ও বুকে মোট ৫৩টি চামচ আটকে নিজের রেকর্ড ভাঙেন।

তিনিও ধাতব, অধাতব সব ধরনের জিনিসই শরীরে আটকে রাখতে পারেন।

তাহমিনা সানি

 

ফুলদানির এত দাম!

ফুলদানিটি দেখতে সাধারণ ফুলদানির মতোই। দাম কতই বা আর হতে পারে?  কিন্তু ওটাই কিনা শেষ পর্যন্ত বিকিয়েছে তিন লাখ ডলারে। চীনের তিব্বতি শৈলীর একটি ফুলদানি এটি। লম্বায় ২৬.৫ সেন্টিমিটার। গায়ে সাদা রং করা। সাদার ওপর আছে ফুলের ছাপ। দেখে মনে হয়, ১৭৯৬-১৮২০ সালের সেই জিয়াকিং সময়কালের। কিন্তু ধারণা করা হয়, আসলে ওটা তৈরি করা হয়েছিল বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, জিয়াকিং নির্মাণরীতি অনুসরণ করেই। ইংল্যান্ডে বাস করা ফুলদানিটির মালিক দুই ভাই কয়েক দিন আগে ওটাকে নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তাঁরা এর মূল্য বুঝতে পারেননি। তাই প্রাথমিকভাবে বাজারমূল্য ঘোষণা দিয়েছিলেন ১২০০ থেকে ১৫০০ ডলার। কিন্তু নিলামকারী প্রতিষ্ঠান লরেন্স অব ক্রিউকার্নে নিলামে তোলার সঙ্গে সঙ্গে ওটার দাম উঠতে থাকে। অনেক ক্রেতাই ফুলদানিটি কিনতে চড়া দাম হাঁকতে থাকেন। শেষমেশ নিলামে এর দর গিয়ে ঠেকে দুই লাখ ৫২ হাজার মার্কিন ডলারে। ভ্যাটসহ দাঁড়ায় তিন লাখ সাত হাজার মার্কিন ডলারে, যা প্রায় দুই কোটি চল্লিশ লাখ টাকার সমান।

মাসুদ রানা আশিক


মন্তব্য