kalerkantho


অন্য রকম

খুদে ভাস্কর্য

সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



খুদে ভাস্কর্য

মানুষের নজর কাড়ার জন্য সব সময় যে কেবল বড় হতে হয় তা নয়। অনেক সময় ছোট হয়েও নজর কাড়া সম্ভব। আর এটিই বাস্তবে সত্যি প্রমাণ করেছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত কিছু স্মৃতিস্তম্ভ।

এই যেমন মনুমেন্ট টু দ্য ফ্রগ-ট্রাভেলারের কথাই ধরুন না। ২০১৩ সালে রাশিয়ার শহর তমস্কে স্থাপিত হওয়ার পর থেকে ৪৪ মিলিমিটারের এই স্মৃতিস্তম্ভটি পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্মৃতিস্তম্ভ বা মনুমেন্টের স্বীকৃতি পেয়েছে। নির্মাতা ওলেগ কিসলিটস্কি চেয়েছিলেন শহরে আসা সব পর্যটককে এর মাধ্যমে সম্মান জানাতে। রাশিয়ান একটি লোককথার ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া একটি ব্যাঙের গল্প আছে। মনুমেন্ট টু দ্য ফ্রগের আগে এই তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অবস্থিত ১১ সেন্টিমিটারের ব্রোঞ্জ নির্মিত পাখি—চিজিক পিজিক। তিনবার চুরি হয়েছিল রাশিয়ার লোকগীতির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত চিঝিক পিঝিক। এখন অবশ্য ফন্টাকা নদীর পাড়ে গেলেই এটির দেখা পাবেন।

তবে রাশিয়ার বাইরের পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্মৃতিস্তম্ভটি হলো সুইডেনের স্টকহোমে একটি ফিনিশ চার্চের উঠোনে অবস্থিত ১৫ সেন্টিমিটারের ইয়ানপইকে। ছোট্ট এক বালকের এই মূর্তিটি ১৯৬৭ সালে নির্মাণ করেছিলেন লিস এরিকসন।

আর লন্ডনের এক টুকরো পনির নিয়ে দুই ইঁদুরের ঝগড়া করার স্তম্ভটির কথাও না বললেই নয়। ১৮৬২ সালে তৈরি করা হয়েছিল এটি। বলা হয়, একবার দুই নির্মাণ শ্রমিকের ভেতরে খুব ঝামেলা বেধে যায়। দুজনেরই এক কথা, তাদের দুপুরের খাবার চুরি হচ্ছে আর সেটা চুরি করছে অপরজন। পরে অবশ্য দেখা গেল, চুরিটা আসলে করছে সেখানকার ইঁদুররা। তবে স্তম্ভের পেছনের গল্পগুলো যেমনই হোক না কেন, কেউ সেটা জানুক বা না জানুক, ছোট্ট আর মিষ্টি এই স্তম্ভগুলো কিন্তু মানুষের খুব পছন্দের।


মন্তব্য