kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


উচ্চতম সমাধিক্ষেত্র

শিমুল খালেদ   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



উচ্চতম সমাধিক্ষেত্র

গোরস্তান বা সমাধিক্ষেত্রের যে চেহারা আমাদের সামনে ভেসে ওঠে, তার সঙ্গে মোটেই মিল পাবেন না ব্রাজিলের সান্তোসে অবস্থিত নেক্রোপল ইয়াকুমেনিকার। এটি বিশ্বের উচ্চতম সমাধিক্ষেত্র।

১৯৮৩ সালে যখন উদ্বোধন করা হয়, তখন এটি ছিল খুব ছোট একটি দালান। তবে পরের বছরগুলোয় এর সঙ্গে একটার পর একটা তলা যুক্ত হতে থাকে। একসময় পরিণত হয় বিশ্বের উচ্চতম সমাধিক্ষেত্রে। বর্তমানে এর উচ্চতা ১০৮ মিটার। এতে আছে ২৫ হাজার সমাধি। জাঁকজমকপূর্ণ রাজকীয় সমাধি, ভূগর্ভস্থ কক্ষ, প্রার্থনাগারও পাবেন। এ ছাড়া ছাদের একটি বাগানে রয়েছে কৃত্রিম ঝরনা ও উপাসনালয়।

শুধু গোরস্তান দেখতেও যে পর্যটকের সমাগম হতে পারে, তা নেক্রোপল ইয়াকুমেনিকায় ঘুরে না গেলে বিশ্বাস করা কঠিন। এখন সান্তোসে পর্যটক আসার অন্যতম কারণ এই সমাধি। সারা বিশ্ব থেকে শত শত পর্যটক গাঁটের পয়সা খরচ করে এই শহরে আসে বিশ্বের উচ্চতম এই সমাধিক্ষেত্র দেখতে।

মারা যাওয়ার আগেই সামাধির জায়গা হিসেবে নেক্রোপল ইয়াকুমেনিকোতে বুকিং দিচ্ছেন এমন লোকের অভাব নেই। সমাধির অবস্থান অনুসারে এখানে কাউকে সমাধিস্থ করতে কেমন খরচ গুনতে হবে, তা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন—পাশের পর্বতের দিকে মুখ করা অংশের দাম তুলনামূলক বেশি। আবার দালানের ওপরের দিকের সমাধিগুলোর মূল্য তুলনামূলক নিচেরগুলোর থেকে অনেক বেশি। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে যা বেরিয়ে এসেছে, তা রীতিমতো অদ্ভুত। নিচের সমাধিগুলোর তুলনায় ওপরেরগুলো স্বর্গের তুলনামূলক কাছাকাছি অবস্থিত! তাই ওপরে সমাধিস্থ হতে উঠেপড়ে লেগেছেন অনেকেই। মাত্র তিন বছর মেয়াদের জন্য সমাধিগুলোর কোনো একটিতে জায়গা পাকা করতে গুনতে হয় ১০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ব্রাজিলীয় মুদ্রা।


মন্তব্য