kalerkantho

কক্সবাজার সৈকতের কাছে হাঙরের ভাস্কর্য কেন?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১২:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার সৈকতের কাছে হাঙরের ভাস্কর্য কেন?

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকায় প্রবেশমুখে চত্বরের নাম 'ডলফিন মোড়' হলেও সেখানে ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে হাঙরের। আর প্রশ্নের উদ্রেক ঘটেছে প্রধানমন্ত্রী উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের মনে। তিনি বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন।

আশরাফুল আলম খোকন বলেন, অবসরে আমরা অনেকেই দেশে বিদেশে কোথাও না কোথাও ঘুরতে যাই। দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থানগুলো দেখে আসি। সাথে হয়তো ট্যুর গাইড থাকে অথবা স্যুভেনিরই থাকে অবলম্বন। যার মাধ্যমে ঐসব জায়গাগুলোর সম্পর্কে খুঁটিনাটি সব জানা যায়। এছাড়াও স্থাপনাগুলোর সামনে ঐসব ঐতিহাসিক ও আকর্ষণীয় জায়গাগুলোর বিস্তারিত লেখা থাকে অথবা প্রতীকী ভাস্কর্য থাকে- যা দেখে বিস্তারিত জানা যায়।

তিনি বলেন, আমাদের আছে কক্সবাজার। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত । প্রায় ১২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের বিপরীত দিকে আছে সারিসারি সবুজ পাহাড়। প্রাকৃতিক এইরকম নৈসর্গিক দৃশ্য পৃথিবীতে বিরল। দেশি-বিদেশী অনেক পর্যটক শুধু ওখানে যায় সমুদ্রের পানিতে নিজেদেরকে একটু ভিজিয়ে নিতে। কিছু রেস্তোরাঁ ছাড়া ওখানে বিনোদনেরও আর কিছু নেই।

খোকন বলেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় কোনো পর্যটক যদি সেখানে যায় তাহলে তারা কি দেখবে। তারা কক্সবাজারে প্রবেশের পরপরই কলাতলী চত্বরে দেখতে পাবে একটি ভাস্কর্য। যে ভাস্কর্যে কিছু সামুদ্রিক মাছের সাথে আছে একটা 'হাঙ্গর' এর ভাস্কর্য। যারা জ্যান্ত মানুষ পানিতে পেলে খেয়ে ফেলে।

আশরাফুল আলম খোকনের প্রশ্ন, এখন কোনো বিদেশি পর্যটক এসে যদি প্রথমেই হাঙ্গরের ভাস্কর্য দেখে,সে কি সৈকতে নামতে সাহস পাবে? যেখানে ভয়ংকর হাঙ্গরের দাঁতের মুখগুলো হা করে মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। এমনিতেই’তো কক্সবাজারে বিনোদনের আর কিছু নেই। এরপর যদি আমরা পর্যটকদের হাঙ্গর দেখিয়ে দেই সেটা খুবই আত্মঘাতী বিষয়। অথচ হাঙ্গরের কোনো অস্তিত্বই এখনো সেখানে দেখা যায়নি।

মন্তব্য