kalerkantho


বিরক্তিকর সহকর্মীকে মোকাবিলার সাত টিপস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৩:৪৪



বিরক্তিকর সহকর্মীকে মোকাবিলার সাত টিপস

যদি আপনার অন্তত এমন একজন সহকর্মীও থাকেন যিনি আপনাকে বিনা কারণে বিরক্ত করেন। আপনি হয়তো তার কাছ থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। এমনকি নিজের কাজের প্রতিও মনোযোগী হতে পারেন না। প্রতিদিন আপনার মেজাজ খারাপ হয় এবং অফিসে এটি আপনার কর্মক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

বিষয়টি এমন হলে নিচের পয়েন্টগুলো পড়ুন এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণের চেষ্টা করুন : 

১। কখনো কখনো এটিই কাজ
মনে রাখতে হবে, অফিস একটি প্রতিযোগিতামূলক স্থান। সেখানে আপনি যান বন্ধু তৈরির জন্য নয়। প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট সময়সীমার অধীনে কাজ করেন এবং প্রত্যেকের রয়েছে কাজের নিজস্ব বিষয়বস্তু। তাই অন্যকে মাঝে মধ্যে সন্দেহের সুবিধা পেতে সুযোগ  দিন।

২। কূটনৈতিক হওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ
যদিও অকপট ও স্বাভাবিক থাকাটাও ভালো লক্ষণ। কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে শব্দ নিয়ে খেলে করাটাও উপকারী। বিরক্তিকর মনে হয় এমন সহকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পরিবর্তে একটু কূটনৈতিক হওয়ার চেষ্টা করুন। লক্ষ্য রাখবেন, সর্ম্পকের ক্ষেত্রে যেন কোনো হুমকি না আসে।

৩। উচ্চ রাস্তা গ্রহণ করার চেষ্টা করুন
পরিবেশকে আনন্দমুখর করে তোলার চেষ্টা করুন। বিরতিতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে কফি খেতে কিংবা হাঁটতে  যান। কাজের প্রসঙ্গের বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে তার সঙ্গে আলাপ জমিয়ে তুলুন। তাঁর মত  ও বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করুন। চেষ্টা করুন তাকে ভালো করে বুঝতে। তাহলেই দেখবেন অনেক সমস্যার সমাধান হবে।

৪। তার সঙ্গে কথা বলতে হবে
নিজেকে বিরক্তিকর মানুষের কাছ থেকে দূরে রাখলেই সমস্যার সমাধান হবে না। তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে হবে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করুন যে আপনারা উভয়ই একই জায়গায় কাজ করেন এবং একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে। বিরক্তিকর কিছু ঘটলে তা হাসিমুখে বিনয়ের সঙ্গে ব্যাখ্যা করুন। সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে খোলা মনের হতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিজেদেরকেই পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এগিয়ে আসতে হবে।

৫। বিবেচনা করুন 
নিজের আচরণ বিশ্লেষণের চেষ্টা করুন। যে কোনো পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া জানানোর সঠিক উপায়টি খুঁজে বের করতে হবে। যেমন, বের করার চেষ্টা করুন যখন তিনি কাজের প্রশংসা করেন তখন আপনি বিরক্ত বোধ করেন কি-না। সম্ভবত, আপনি চান না আপনার সহকর্মী সবসময় প্রাণবন্ত ও আনন্দের মধ্যে থাকুক। এমন হলে তা ত্যাগ করুন। যে কোনো পরিস্থিতিতে বিরক্ত না হয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করুন এবং শেখার চেষ্টা করুন অন্যের কাছ থেকে।

৬। অন্যের সঙ্গে শেয়ার করুন
অন্য উপায়টি হলো নিজেকে সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে রাখা। কাজের বাইরে এমন কাউকে খুঁজে বের করুন যার কাছে সারা দিনের ঘটনা শেয়ার করা যায়। এটি আপনাকে হালকা বোধ করতে সহায়তা করবে। 

৭। যদি কোনো সহযোগিতা না পান
সমস্ত উপায় অবলম্বনের পরও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তবে আপনাকে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা কিংবা এইচআর বিভাগকে বিষয়টি খুলে বলুন। এ ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। 

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া  

 



মন্তব্য