kalerkantho


ভ্রূণকে বের করে এনে অস্ত্রোপচার, ফের পুনর্স্থাপন মাতৃগর্ভে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:২৬



ভ্রূণকে বের করে এনে অস্ত্রোপচার, ফের পুনর্স্থাপন মাতৃগর্ভে!

ইংল্যান্ডের টেক্সাসের বাসিন্দা বিথান সিম্পসন-এর গর্ভে থাকা ভ্রূণের বয়স যখন ২০ সপ্তাহ, তখন এক পরীক্ষায় ধরা পড়ে গর্ভে থাকা কন্যাভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠন ঠিক মতো হচ্ছে না। প্রয়োজন চিকিৎসার। সেই মত গর্ভবতী বিথান-কে ইংল্যান্ডের টেক্সাসের ব্রুমফিল্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গর্ভস্থ ভ্রূণটি ‘স্পাইনা বিফিডা’ নামে এক জটিল স্নায়ুরোগে আক্রান্ত । এই স্পাইনা বিফিডা থাকার ফলে মানবদেহে স্নায়ুনালির গঠনে সমস্যা দেখা দেয়। যার ফলে জন্মগ্রহণের পর ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই চিকিৎসকরা সিম্পসন দম্পতিকে জানান, হয় ভ্রূণটিকে নষ্ট করে ফেলতে হবে নয়তো গর্ভস্থ ভ্রূণের ওই স্নায়ুনালির অস্ত্রোপচার করতে হবে।

এরকম পরিস্থিতিতে বিথান কোনওভাবেই গর্ভস্থ ভ্রূণটি নষ্ট করতে চাননি, তিনি অস্ত্রোপচারেই রাজি হয়ে যান। ২৪ সপ্তাহ ভ্রূণের বয়সে, লন্ডনের গ্রেট অরমন্ড স্ট্রিট হাসপাতালে ভর্তি হন বিথান। চিকিৎসক মাইকেল বেলফোর্ড এর তত্ত্বাবধানে ব্রিটেন এবং বেলজিয়ামের একদল চিকিৎসক এই অস্ত্রোপচার করেন। বিথানের গর্ভ থেকে ভ্রূণটিকে বার করে নিয়ে, কৃত্রিম ভাবে বাঁচিয়ে রেখে অস্ত্রোপচার চালান চিকিৎসকরা। অস্ত্রোপচারের পর আবার বিথানের গর্ভে স্থাপন করা হয় সেই কন্যাভ্রূণটিকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বিথানের চিকিৎসকরা জানান, এ ধরণের অস্ত্রোপচারের ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই গর্ভস্থ ভ্রূণটি বাঁচানো সম্ভব হয় না । বিথান ব্রিটেনের চতুর্থ মা, যার গর্ভস্থ ভ্রূণের এই অস্ত্রোপচার হয়েছে । আগামী এপ্রিলেই বিথান ওই শিশুকন্যার জন্ম দেবেন । বিথান জানিয়েছেন, ‘আমরা জানতাম, ওই অস্ত্রোপচারে ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু সন্তানকে স্বাভাবিক জীবন দিতে ঝুঁকিটা নিয়েছিলাম।’

ইন্টারনেট থেকে



মন্তব্য