kalerkantho


কারা হচ্ছেন ম্যাশের প্রতিদ্বন্দ্বী!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২১:৪৫



কারা হচ্ছেন ম্যাশের প্রতিদ্বন্দ্বী!

আসন্ন নির্বাচনে নড়াইল- ২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার প্রতিদ্বন্দ্বী কারা কারা হচ্ছেন- এ নিয়ে ওই আসনসহ দেশজুড়েই চলছে আলোচনার ঝড়।

মাশরাফি দাঁড়িয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের টিকিটে। এর বিপরীতে বিএনপির নীতি নির্ধারকরাও বুঝে শুনে প্রার্থী বাছাইয়ের চেষ্টায় ব্যস্ত। প্রসঙ্গত, এ আসনে ২০ দলীয় জোটের ধানের শীষ প্রতীকে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এরা হলেন নড়াইল-২ আসনের সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধা শরীফ খসরুজ্জামানের ছেলে শরীফ কাসাফুদ্দোজা কাফী, এনপিপির চেয়ারম্যান এ জেড এম ড. ফরিদুজাজামান ফরহাদ ও সাবেক এমপি মুফতি শহিদুল ইসলাম।

এর বাইরে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি জেলা শাখার সভাপতি বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, ইসলামী আন্দোলনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম নাছির উদ্দিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (রব) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফকির শওকত আলী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি- ছালু ) সভাপতি মনিরুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মাহবুবুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম, জামাল উদ্দীন ও সাবেক এমপি মুফতি শহীদুল ইসলামের ছেলে মুফতি তালহা ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

তবে মাশরাফির বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী কে থাকছেন এ নিয়েই আলোচিত হচ্ছে সর্বত্র। বিএনপির একাধিক নেতার সূত্রে জানা গেছে, মাশরাফির জনপ্রিয়তাকে বিবেচনা করে বিএনপিও জনপ্রিয় কাউকে প্রার্থী করার চেষ্টা করছে।

সেই বিবেচনায়ই সাবেক এমপি মুফতি শহীদুল ইসলামের নামে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে। মুফতি শহীদুল ইসলাম বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। তবে মামলা সূত্রে তার নামে সাজা থাকায় নির্বাচনে অংশগ্রণ করা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এদিকে, সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা শরীফ খসরুজ্জামানের ছেলে শরীফ কাসাফুদ্দোজা কাফীকেও বিএনপি দলীয় প্রার্থী করা হতে পারে- এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। জনপ্রিয় সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত খসরুজ্জামানের ইমেজ এবং লোহাগড়া এলাকার আঞ্চলিকতাকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট অধিনায়কের বিরুদ্ধে তাকেই প্রতিদ্বন্দ্বী করা হবে- এমনটা ধারণা করছেন বিএনপির একপক্ষের নেতারা।

তবে ২০ দলীয় জোটের শরীক এনপিপির চেয়ারম্যান এ জেড এম ড. ফরিদুজাজামান ফরহাদও দলীয় প্রার্থী হতে পারেন। 

অবশ্য শেষতক কে হচ্ছেন বিএনপি দলীয় প্রার্থী- তা জানতে আরো কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে। জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক টিপু সুলতান বলেন, অধিনায়ক মাশরাফির জনপ্রিয়তার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে হলে বিএনপিরও জনপ্রিয় কাউকে প্রার্থী করতে হবে। সে দিক বিবেচনা করে বিএনপি ব্যানারে তিনজন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

তবে জয়লাভের লক্ষ্য নিয়েই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে বিএনপি শিবির জানায়।

এদিকে, আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, মাশরাফি শুধু নড়াইলের সম্পদ নন, সারাদেশের সম্পদ। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে নির্বাচনী কাজ শুরু করেছেন তার জন্য।



মন্তব্য