kalerkantho


লাস্যময়ী তরুণীর সঙ্গে খেতে বসে সবচেয়ে ধনী কুকুর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:২৪



লাস্যময়ী তরুণীর সঙ্গে খেতে বসে সবচেয়ে ধনী কুকুর

বাড়িতে মন বসে না তার। সে কারণে ঘন ঘন বেড়াতে যায়। তবে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট মোটেই পছন্দ নয়। ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া চলেই না। সেটাও আবার যে কোনো গাড়ি নয়, হতে হবে লিম্যুজিন।

এ ধরনের নানা বায়না পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী কুকুর চতুর্থ গান্থারের। পৃথিবীর ধনীতম জার্মান শেপার্ড প্রজাতির ওই কুকুরের বাবা তৃতীয় গান্থার ছিল জার্মানির এক ধনী মহিলা কার্লোত্তা লিবেনস্টাইনের পোষ্য। উত্তরাধিকার সূত্রে মালকিনের থেকে আট কোটি মার্কিন ডলার পায় সে।

তার মৃত্যুর পর ওই টাকা যায় ছেলে চতুর্থ গান্থারের নামে। বিভিন্ন সংস্থায় বিনিয়োগ করার পর ফুলেফেঁপে ওই অর্থ এই মুহূর্তে ৪০ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন দেশে বাড়ি রয়েছে গান্থারের। রাজার হালে থাকে সে। সপ্তাহান্তে বেড়াতেও যায়। যার অত টাকা, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কি তার পছন্দ হয়?

সে কারণে ব্যক্তিগত গাড়িই পছন্দ। লিম্যুজিন গাড়িতে হাত পা ছড়িয়ে বসাও যায়, আবার মন চাইলে এ মাথা থেকে ও মাথা দৌড়ে বেড়ানোও যায়।

তবে হোটেল নিয়েও ছুতমার্গ রয়েছে বিস্তর। পাঁচতারা হোটেলের সার্ভিসেই একমাত্র ভরসা তার। যাতে খাবারদাবার থেকে বিছানার চাদর, সবকিছুই হয় পরিপাটি। থাকে স্পায়ের বন্দোবস্তও।

হোটেলে পৌঁছে প্রথমে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয় সে। টিভিতে কার্টুন দেখে সময় কাটায়। তারপর লনে খেলাধূলা করে। অবসরে খায় তার প্রিয় পানীয়।

তার পর ফ্রেশ হয়ে লাস্যময়ী কোনো তরুণীর সঙ্গে খেতে যায়। স্টার্টার, মেনকোর্স এবং ডেজার্ট, সবই থাকে তার পাতে। পেটপূজা শেষ হলে নৌকা বিহারে যাওয়া চাই গান্থারের। ফিরে সুইমিংপুলের ধারে কিছুটা সময় কাটায়। সেখানে তার সেবা করতে হাজির থাকে দু'-তিন জন। তারাই হোটেলের ঘরে পৌঁছে দেয় তাকে। নৈশভোজ সেরে তার পর ঘুমাতে যায় গান্থার।



মন্তব্য